হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

মোখার প্রভাবে টেকনাফে বাড়ছে ঝোড়ো বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ থেকে

ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রভাগ এই মুহূর্তে টেকনাফ উপকূল অতিক্রম করলেও এখনো ভয়াবহ রূপ ধারণ করেনি। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ এখন উপকূলে আছে। অনেক দূরে এটির মূল কেন্দ্র রয়েছে, যেটি আঘাত হানতে পারে আজ দুপুরের পর থেকে বিকেলের মধ্যে। 

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শরিফুল নেওয়াজ কবিরাজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অগ্রভাগ অতিক্রমের সময় বাতাসের গতিবেগ কম আছে। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এটির কেন্দ্রে ১৯৫ কিলোমিটার থেকে শুরু করে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ বাড়ছে। তবে স্থলভাগে আঘাত করার সময় গতিবেগ কমে যেতে পারে।’ 

টেকনাফে মধ্যরাত থেকে বৃষ্টি ও বাতাস শুরু হলেও সকালে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। তবে সকাল ৮টার পরে বৃষ্টি ও বাতাস বাড়তে থাকে। টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডার ঢিল এলাকায় ও জিরো পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে গতকাল থেকে সাগর উত্তাল আছে। বাতাসের গতিবেগ বাড়লেও সেটি খুব বেশি নয়। 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, তাঁরা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যাননি। বাতাস ও বৃষ্টি বাড়লে তাঁরা আশ্রয়কেন্দ্রে যাবেন। টেকনাফ শহর ও শহরের আশপাশের এলাকাগুলোতে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। বিভিন্ন বাজার, মুদিদোকান, চায়ের দোকান ও হোটেলগুলো খোলা রয়েছে। টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ অঞ্চল সাগর লাগোয়া বিধায় সেখানের অনেক বাসিন্দাই নিরাপদে চলে গেছে। তবে অনেক আশ্রয়কেন্দ্র এখনো ফাঁকা পড়ে আছে। 

স্থানীয় সিপিপি, অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সদস্যরা বলছেন, তাঁরা ঝড় পর্যবেক্ষণ করছেন। মানুষকে সচেতন ও তার জন্য মাইকিং করে তাদের নিরাপদে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

চট্টগ্রামে বিরোধপূর্ণ জমি: ১ বছর নিয়ে ২০ বছর ইজারা

ছেঁড়াদিয়া দ্বীপ: বেপরোয়া পর্যটক সামলাতে হিমশিম অবস্থা কর্তৃপক্ষের

বউভাতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কনের নানি নিহত

৯ জুলাই যোদ্ধা চাকরি পেলেন চট্টগ্রাম বন্দরে

১০ বছর পর দম্পতির কোলজুড়ে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান

‘সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন’

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়, মাথার খুলির এক পাশ খুলে রাখা হয়েছে

মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা

চট্টগ্রামে নালা থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

সড়ক থেকে উদ্ধার সেই শিশু দাদির জিম্মায়, বাবা কারাগারে