পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, বর্তমান সময়ে অনেকেই নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ভুলে গেলেও পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মানুষ এখনো তা লালন-পালন ও সংরক্ষণ করে চলেছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে পার্বত্য সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গতকাল শনিবার রাতে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়িদের বৈসাবি পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য জনগোষ্ঠীর অনেকে প্রকৌশলী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশায় থেকে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। নিজেদের স্বকীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখার ক্ষেত্রেও তাঁরা অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাষাভাষী ও জাতিসত্তার মানুষ চট্টগ্রামের অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁদের মেধা, শ্রম ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হচ্ছে চট্টগ্রাম।
‘আজ এখানে এসে মনে হচ্ছে, যেন রাঙামাটি ও পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামকে চট্টগ্রাম শহরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছি। বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের উপস্থিতি আমাদের বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতির প্রতিচ্ছবি।’
পাহাড়ে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ তুলে ধরে দীপেন দেওয়ান বলেন, বিএনপি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার পরিচয় ও অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করছে।
বৈসাবি পুনর্মিলনী উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী প্রু মং রাখাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেন।
এর আগে সন্ধ্যায় পিঠা উৎসব এবং পরে রাতে নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।