অষ্টম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান পদপ্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা দ্রুত শুরু করার দাবি জানিয়েছেন ভাইভাপ্রত্যাশী শিক্ষকেরা।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান শিক্ষক প্রতিনিধিদের প্রধান সমন্বয়কারী মো. আমজাদ হোসেন। ‘অষ্টম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভাইভাপ্রত্যাশী শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক প্রতিনিধিদের মধ্যে মঞ্জুরুল মোরশেদ, মো. রফিকুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন ও রুহুল আমিন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি দূর করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এনটিআরসিএর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করেছে। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট মহলে এ উদ্যোগ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
তাঁরা জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল এনটিআরসিএর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২২ এপ্রিল প্রকাশিত ফলাফলে প্রায় ৫৩ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪ হাজার ৯৪২ জন উত্তীর্ণ হন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিশেষজ্ঞ প্যানেল প্রণীত সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কর্তৃক উত্তরপত্র মূল্যায়নের মাধ্যমে পরীক্ষাটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তবে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। এতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকেরা বলেন, বর্তমান সরকারের শিক্ষা উন্নয়ন ও দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যের সঙ্গে তাঁরা একমত। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও প্রযুক্তি-সচেতন শিক্ষা প্রশাসক নিয়োগ জরুরি। তাই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তাঁরা।