রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত খুনিদের ‘ছকের ভেতর’ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার (এডিসি) মো. শফিকুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডিবি অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, টিটন হত্যা তদন্তাধীন মামলা। তদন্তের স্বার্থে আসামিদের অবস্থান ডিসক্লোজড করতে চাচ্ছি না। আমরা চেষ্টা করছি।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খুনিদের মোটরসাইকেল রায়েরবাজার পর্যন্ত গেছে শনাক্ত করা গেছে। রায়েরবাজার পর্যন্ত যেহেতু শনাক্ত করা গেছে আপনারা (সাংবাদিক) ধরে নেন আমরা মোটামুটি একটা ছকের ভেতর নিয়ে আসছি। আমরা একটি নির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছি।
গত ২৮ এপ্রিল রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় টিটনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ২০০১ সালে সরকারঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে ছিল টিটনের নাম।
পুলিশের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যকার অন্তঃকোন্দলে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে হত্যা করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর বেলা পৌনে ১১টায় পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশের একসময়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈফ মামুনকে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যার নেপথ্যে ছিলেন নাঈম আহমেদ টিটনের ভগ্নিপতি শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন।
আরও পড়ুন: