কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় অপহৃত চার রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় মানব পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়। জিম্মি ব্যক্তিদের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ না পেলে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে র্যাব জানিয়েছে।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক এসব তথ্য জানান।
ফারুক জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় র্যাব-১৫ খবর পায়, সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা কিছু রোহিঙ্গা নাগরিককে অপহরণ করে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচার ও মুক্তিপণ আদায়ের জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশায় টেকনাফের দক্ষিণ লম্বরী পাড়ার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এ খবরের ভিত্তিতে মেরিন ড্রাইভের লম্বরী পাড়ায় চেকপোস্ট স্থাপন করে র্যাব।
তল্লাশিকালে সন্দেহজনক সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে দুই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। তাঁরা হলেন নেয়ামত উল্লাহ (২৯) ও শাহ আলম (৩৭)। তাঁরা টেকনাফের সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লান পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
উদ্ধার করা রোহিঙ্গাদের উখিয়া উপজেলার বালুখালী কাম্পের সামনে থেকে অপহরণ করা হয় জানিয়ে র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে তাঁদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তোলা হয়। অটোরিকশায় জিম্মি করে অপহৃত একজনের কাছ থেকে ৩ লাখ ও অন্যদের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না দিলে তাঁদের মালয়েশিয়ায় পাচার করার হুমকি দেন অপহরণকারীরা। মুক্তিপণ আদায়ের জন্য অপহৃত ব্যক্তিদের মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।