১৯৭০-এর দশকের শেষ আর ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় বিকাশ হয় একটি সামাজিক নৃত্যের, যেটির নাম কিজোম্বা। দেশটির কিমবুন্দু ভাষায় কিজোম্বা শব্দের অর্থ হলো ‘পার্টি’ বা ‘উৎসব’। ঐতিহ্যগতভাবে পরিবার, বন্ধু, পরিচিত যে কারও সঙ্গে যেকোনো সামাজিক উৎসব বা বিয়ের অনুষ্ঠানে করা হয় এই যুগল নৃত্য। তবে আজকাল অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডার রাস্তা থেকে শুরু করে নাচের ক্লাবগুলোতেও কিজোম্বা বেশ জনপ্রিয়। এই নাচে সাধারণত সঙ্গীরা একে অপরের খুব কাছাকাছি থেকে ধড় বা বুক স্পর্শ করে নাচেন। নাচের ছন্দ বেশ ধীর, মসৃণ এবং সংবেদনশীল হয়ে থাকে। যুগলেরা কিজোম্বা সংগীতের সুরে তাল মিলিয়ে ফ্লোরজুড়ে হেঁটে হেঁটে বৃত্তাকারে বিভিন্ন মুদ্রা তৈরি করে এই নাচ পরিবেশন করেন। আফ্রিকা ছাড়িয়ে ইউরোপে; বিশেষ করে পর্তুগাল ও ফ্রান্সে এবং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে অ্যাঙ্গোলার জাতীয় ঐতিহ্য কিজোম্বা।
ছবি: সংগৃহীত