হোম > খেলা > ফুটবল

বাফুফের জবর দখলকে ‘ভয়াবহ’ বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অনেকটা হুড়োহুড়ি করে অনুশীলন শেষ করছেন তিরন্দাজরা। দুই বেলার অনুশীলন শেষ হয় এক বেলাতে। টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়াম ফুটবলের দখলে যাওয়ায় এমন দুর্গতি তিরন্দাজদের। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এমন জোর দখলে বিরক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে আজ বাবার নামে আয়োজিত শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জাতীয় টার্গেটবল প্রতিযোগিতার আজ উদ্বোধন করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টঙ্গীর মাঠ নিয়ে আর্চারি ও ফুটবল ফেডারেশনের মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। বাফুফের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দেখিয়েছেন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।

বাফুফের মাঠ গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘গতবার আমরা যখন টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামকে ফুটবলের জন্য অনুমোদন দিয়েছিলাম তখন বলা হয়েছিল আর্চারির সঙ্গে সমন্বয় করে নিতে। বলা হয়েছিল আর্চারি যদি ফুটবলকে অনুমতি দেয় তাহলে তারা (বাফুফে) খেলতে পারবে, না হলে তাদের অন্যত্র যেতে হবে। কিন্তু বাফুফে গতবারও সেটা করেনি, এবার দেখলাম অবস্থা আরও ভয়াবহ!’

শুরুতে সাত ভেন্যু নিয়ে লিগ আয়োজনের কথা বললেও বাফুফের পেশাদার লিগ কমিটি প্রথম লেগ পর্যন্ত ম্যাচ খেলাচ্ছে মাত্র দুই ভেন্যু। বাংলাদেশের এত মাঠ থাকতে কেন দুই ভেন্যুতে খেলা এমন প্রশ্নও তুলেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘সারা বাংলাদেশে যে আমরা এত মাঠ তৈরি করছি কাদের জন্য করছি? কারা ব্যবহার করবে, কে খেলবে এসব মাঠে? এসব মাঠে যদি খেলা না নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে কোটি কোটি টাকা খরচ এই যে স্থাপনা তৈরি করছি তাহলে সবগুলো টাকাই বিফলে যাবে।’

বাফুফের এভাবে খেলা আয়োজনকে ‘জবর দখল’ বলেও মন্তব্য করেছেন জাহিদ আহসান রাসেল, ‘চিঠিতে বলাই ছিল দুই ফেডারেশন যা করবে আলোচনা করে করবে। কিন্তু বাফুফে যা করেছে তা অনেকটা জবর দখলের মতোই। আমার কাছে এটা সঠিক মনে হয়নি। বাংলাদেশে যে কয়টা খেলা নিয়মিত সাফল্য দিচ্ছে আর্চারি তার মধ্যে অন্যতম। ভবিষ্যতে যদি তারা (বাফুফে) আবারও এমন করে তাহলে তাদের মাঠ অনুমোদন দেওয়া আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে।’

টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে নেই পরিপূর্ণ একটি প্রেসবক্স। নেই সাংবাদিকদের জন্য টয়লেটের ব্যবস্থাও। জোর করে খেলা চালিয়ে এসব সুযোগ-সুবিধার দিকে কোনো নজর দেয়নি বাফুফে। লিগ ফুটবল ম্যাচ চালানোর জন্য এই স্টেডিয়াম উপযুক্ত নয় বলেও মত দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘এই মাঠে সাংবাদিকদের জন্য বসার ব্যবস্থা নেই। সেই মানের ড্রেসিংরুমও নেই। যেহেতু মাঠটি আর্চারির জন্য স্টেডিয়াম করা হয়েছে আমরা অন্য বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে অন্য কোনো খেলা হলে আমরা এই সব বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে করব। কিন্তু এই মাঠে আর্চারিকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে, তারপর অন্য খেলা হবে। অন্য কেউ খেলা চালাতে চাইলে তাদের আর্চারির সঙ্গে আলোচনা চালিয়েই খেলা চালাতে হবে।’ 

বাফুফে সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

শ্রীলঙ্কার জালে ৫ গোল দিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়

ক্রিকেটে টান নেই মাশরাফির

এবার নেপালকে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা

হারের পর রেফারিকে দুষছে বার্সেলোনা

‘মরক্কো-সেনেগাল ফাইনালে যা হয়েছে, তা আফ্রিকার জন্য অবমাননাকর’

ফুটসালে বাংলাদেশের ছেলেদের প্রথম জয়

অল্পের জন্য রোনালদোর নামে গোলটা হলো না

বাফুফের হাতে বিশ্বকাপের ৩৩০ টিকিট, পাবেন কীভাবে

এবার সিলেটে খেলবেন হামজা-শমিতরা

পিছিয়ে থেকেও বাংলাদেশের স্বস্তির ড্র