হোম > খেলা > ফুটবল

কেন পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাফুফের পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ৪ অক্টোবর চ্যালেঞ্জ কাপ দিয়ে শুরু হওয়ার কথা ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুম। কিন্তু কদিন আগে তড়িঘড়ি করে দলবদল শেষ করা ক্লাবগুলো এখনো পুরোপুরি নিজেদের গুছিয়ে নিতে পারেনি। সে জন্য বেশির ভাগ ক্লাবই নভেম্বরে মৌসুম শুরু করতে চায়।

এরই মধ্যে দর্শকনন্দিত দুই ক্লাব ঢাকা আবাহনী ও মোহামেডান ৬ সপ্তাহ সময় চেয়ে বাফুফেকে চিঠি দিয়েছে। শুধু এই দুই ক্লাবই নয়, অক্টোবরের শুরুর দিকে মৌসুম শুরুর বিপক্ষে আরও কয়েকটি ক্লাব। অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকা চট্টগ্রাম আবাহনীও লম্বা সময় চেয়ে বাফুফেতে বার্তা পাঠিয়েছে।

ক্লাবগুলোর এমন দাবির মুখে নড়েচড়ে বসেছে পেশাদার লিগ কমিটি। আগামীকাল শনিবার জরুরি বৈঠক ডেকেছে তারা। যেখানে অংশ নেওয়ার কথা ২০২৪-২৫ মৌসুমের প্রতিযোগী দলগুলোর। বিষয়টি নিয়ে আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা হয় লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসানের। শনিবারের মিটিংয়ে বিষয়টির মীমাংসা হবে বলে আশাবাদী তিনি, ‘আমরা এ বিষয়টি নিয়ে শনিবার বসব। আশা করি ওই দিন মিটিংয়ে সব ক্লাবের সঙ্গে কথা বলে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

অন্য দলগুলোর চেয়ে বেশি সংকটে চট্টগ্রাম আবাহনী। স্পনসর জটিলতা এখনো কাটেনি বন্দর নগরীর ক্লাবটির। এক মৌসুম ঠিকভাবে চালাতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দরকার তাদের। এই বিশাল অঙ্কের অর্থের জোগান দিতে নিয়মিত দৌড়ঝাঁপ করছেন দুঃসময়ে ক্লাবের হাল ধরা সাবেক তারকা ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি, ‘বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা তো জানেন। আসলে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি স্পনসর ঠিক করতে। যাদের কাছেই যাচ্ছি, সবাই ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে। কেউ কিন্তু না করছে না। তবে যেটা হলো, সবাই সময় চাচ্ছে। এখন তাড়াহুড়ো করে তো এটা করা যাবে না। তারাও আমাদের এভাবে বড় আর্থিক সহায়তা দেবে না। তবে আমরা আশাবাদী।’

ফর্টিস এফসিরও চাওয়া কয়েকটা দিন সময় পেলে খেলোয়াড়দের পুরোপুরি প্রস্তুত করা যাবে। পাশাপাশি লিগ কমিটির দ্রুত মাঠে ফুটবল ফেরানোর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। ক্লাবের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের এই প্রেক্ষাপটে লিগ কমিটি চাচ্ছে খেলাটা দ্রুত শুরু করতে। এটা আমার মনে হয় ভালো উদ্যোগ। অবশ্য বাস্তবতা বিচার করলে একটা মৌসুম শুরুর আগে অন্তত ৬ সপ্তাহ প্রস্তুতি দরকার। এটা না হলে ইনজুরির শঙ্কাটা বাড়ে।’

ফুটবলে প্রস্তুতিটা জরুরি। এটা নিয়ে কারও দ্বিমত থাকার কথা নয়। আবাহনী লিমিটেডের ম্যানেজার কাজী নজরুল ইসলাম তো জাতীয় ফুটবল দলের সাম্প্রতিক ভুটান সফরের ফলাফলটাকেও সামনে এনেছেন। সেখানে জামালদের খারাপ করার জন্য দুই-তিন মাস খেলার বাইরে থাকা, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নেওয়াটাকে দায়ী করছেন তিনি, ‘আমাদের খেলোয়াড়েরা তো অনুশীলনের সময়ই পায়নি। আপনি ভুটানে রেজাল্ট দেখেন। দুই-তিন মাস খেলার বাইরে ছিল সবাই। এর একটা প্রভাব কিন্তু পড়েছে। তাই আমরা সময় চেয়েছি। কারণ আমাদেরও দলটা প্রস্তুত করতে হবে।’

আরেক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডানও অক্টোবরে মাঠে নামতে রাজি নয়। তারাও খুব করে চাইছে, আরও কিছুদিন পর শুরু হোক ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুম। এ নিয়ে আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেন  ক্লাবটির ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব, ‘শনিবার সভা ডেকেছে লিগ কমিটি।  আমরা সেখানে খেলা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য বলব। দেখুন, সব ক্লাবের গোছানোরও একটা বিষয় আছে। এক-দুইটা ক্লাব নিয়ে চিন্তা করলে তো হবে না।’

‘রিয়ালের বিপক্ষে শিরোপা মানেই দারুণ কিছু’

বিশ্বকাপে কোথায় হবে ফ্রান্স ও জার্মানির অনুশীলন ক্যাম্প

সালাহর সামনে আরেকটি সুযোগ, কেমন হলো আফকনের সেমিফাইনালের লাইনআপ

এই এল ক্লাসিকোই কি আলোনসোর ‘ফাইনাল’

মেসিকে নিয়ে আর্জেন্টিনা কোচের কণ্ঠে ‘পুরোনো সুর’

ফুরাল ২২ বছরের অপেক্ষা, মাটিতে পা রেখে শিরোপায় চোখ মরক্কোর

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফিফা সভাপতির শোক

বাবা হারানোর শোক ছাপিয়ে ফুটবলে আলো ছড়াচ্ছে ১৩ বছরের অনন্যা

বার্সার বিপক্ষে প্রতিশোধের ফাইনালে কি খেলছেন এমবাপ্পে

মোহামেডানের ‘আতা ভাই’ আর নেই