হোম > খেলা > ফুটবল

মেসি বলেই হয়তো এভাবে রেকর্ড ভাঙা সম্ভব

ক্রীড়া ডেস্ক    

সতীর্থ দি পলের সঙ্গে মেসির গোল উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

বনার্ঢ্য ক্যারিয়ারে লিওনেল মেসির রেকর্ডের খাতাটা বেশ ভারী। ক্লাব এবং জাতীয় দলের হয়ে একের পর এক রেকর্ড গড়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এবার বিশ্বকাপের ঠিক আগে আরও একটি রেকর্ড নিজের করে নিলেন মেসি।

মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিজেদের সবশেষ ম্যাচে টরন্টোকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। দলের জয়ের দিনে নিজে এক গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আরও দুটি গোল করিয়েছেন মেসি। তাতেই এমএলএসের ইতিহাসে দ্রুততম একশ গোল অবদান রাখা খেলোয়াড় বনে গেলেন এলএমটেন।

পিএসজি ছেড়ে ২০২৩ সালে মায়ামিতে নাম লেখান মেসি। টরন্টোর বিপক্ষে ম্যাচটি এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে তাঁর ৬৪তম। একশ গোলে অবদান রাখার পথে মেসি নিজে করেছেন ৫৯ গোল। এ ছাড়া সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছে আরও ৪১টি। এত দিন রেকর্ডটা ছিল ইতালির সাবেক ফরোয়ার্ড সেবাস্তিয়ান জিওভিঙ্কোর দখলে। একশ গোল অবদান রাখার পথে ৯৫ ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। এই রেকর্ড ভাঙতে ৩১ ম্যাচ কম খেললেন মেসি। হয়তো নামটা মেসি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

প্রতিপক্ষের মাঠে ৫৬ মিনিটে সতীর্থ এবং বন্ধু লুইস সুয়ারেজের গোলে অ্যাসিস্ট করেন মেসি। এরপর ৭৩ মিনিটে বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারের সহায়তায় জালে বল জড়ান সার্জিও রেগুইলন। দুই মিনিট পর রদ্রিগো দি পলের অ্যাসিস্টে মেসি নিজেই গোলের খাতায় নাম লেখান। সেই সঙ্গে এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে ১০০ গোলে অবদান পূর্ণ হয় তাঁর।

রেকর্ডগড়া ম্যাচের পর মেসি বলেন, ‘ম্যাচটা আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল। বিশেষ করে প্রথমার্ধে আমাদের কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা জয় পেয়েছি, এটা গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ফল পাচ্ছিলাম এবং সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। আজকের এই জয়টা পেয়ে আমি দারুণ খুশি।’

জয়ে ফিরল মোহামেডান

বিশ্বকাপ খেলবে ইরান

‘ব্রাজিল সব সময়ই ফেবারিট’

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন বাংলাদেশি শিল্পী সঞ্জয়

বিশ্বকাপে ফিরেই ডার্ক হর্স তুরস্ক

মেসি কি নাক ডাকেন

অদ্ভুতুড়ে সোয়া ৩ ঘণ্টার ম্যাচে জোড়া লাল কার্ড, অতিরিক্ত সময় ২৭ মিনিট

হামজার মুখে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’

নতুন কোচ নিয়োগে হামজার মতামত নিচ্ছে না বাফুফে

পটারের জাদুতে যেভাবে বদলে গেল সুইডেন