ম্যাচ হারলে রেফারি, আম্পায়ারদের ওপর দোষারোপ করার ঘটনা দেখা যায় হরহামেশাই। অনেক সময় লাল কার্ড বা হলুদ কার্ডে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। সেখানে স্পেনের সার্জিও বুসকেতসকে ব্যতিক্রমী চরিত্রই বলতে হবে।
লিওনেল মেসি, বুসকেতস, লুইস সুয়ারেজ, জর্দি আলবা—বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলারদের পুনর্মিলনী হয়েছে ইন্টার মায়ামিতে। সেখানে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হয় এলএ গ্যালাক্সি ও ইন্টার মায়ামি। ম্যাচে ৪৬ মিনিটে একবার হলুদ কার্ড দেখেন এলএ গ্যালাক্সির মিডফিল্ডার মার্ক দেলগাদো। দেলগাদো ৮৭ মিনিটে দেখেন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, যার ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। এটা নিয়েই বিতর্ক রয়েছে। সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, বলের দখল নিতে গিয়ে একে অন্যের সঙ্গে লেগে যায় বুসকেতস ও দেলগাদোর। ভিডিওর ক্যাপশন ছিল, ‘এটা তাহলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড’। ফাউলের প্রসঙ্গে বুসকেতস বলেন, ‘হ্যাঁ। সেখানে হালকা একটু ধাক্কা লেগেছে। খুবই হালকা ছিল। তবে কার্ডের সিদ্ধান্ত রেফারিরই ছিল। বাস্তবিক অর্থে সত্যিই এমনটা দেখিনি যে সে কার্ড দেখবে। কারণ সে পড়ে গিয়েছিল এবং সে-ই সঠিক। সম্ভবত এটা কার্ডও হয় না। খুবই হালকা একটা ফাউল হয়েছে যেখানে আমার সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে।’
দেয়ান জোবেলিচের ৭৫ মিনিটের গোলে সেই ম্যাচে ১-০ গোলে প্রথমে এগিয়ে যায় এলএ গ্যালাক্সি। ৮৭ মিনিটে এলএ গ্যালাক্সি দশ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরই সমতায় ফেরে ইন্টার মায়ামি। অতিরিক্ত সময়ের ২ মিনিটে মায়ামির সমতাসূচক গোল করেন মেসি। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয় এলএ গ্যালাক্সি-ইন্টার মায়ামি ম্যাচ। লাল কার্ডের কোনো প্রভাব ছিল কি না সে প্রসঙ্গে বুসকেতস বলেন, ‘ম্যাচে যে পরিস্থিতি ছিল, আমি নিশ্চিত যে এটাই। কারণ সে চলে যাওয়ার পরই গোলটা হয়েছে। এক খেলোয়াড় কম নিয়ে খেলাটাই অনুপ্রেরণা যোগাবে। তবে এটা রেফারির সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে আমাদের করার কিছু থাকে না।’