দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর আগে কেক কাটতে দেখা গেল বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের। উপলক্ষ্য মুশফিকুর রহিমের ৩৯ তম জন্মদিন। সতীর্থদের কাছ থেকে এমন উদযাপনের উপলক্ষ্য পেয়ে মাঠে নেমে জন্মদিনে নিজেই যেন নিজেকে উপহার দিলেন মুশফিক।
আজ ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই হাতখুলে খেলতে থাকেন লিটন কুমার দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির করা দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম তিন বলে টানা বাউন্ডারি মারেন। অন্যপ্রান্তে বেশ সাবধানী ব্যাটিং করছিলেন মুশফিক। প্রথম দিনের খেলা শেষে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯ তম ফিফটি পেতে ২ রান দরকার হলেও এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে কিছুটা অপেক্ষা করতে হয়েছে। আগের দিন ১০৪ বল খেলা মুশফিক ফিফটি তুলে নিতে খেলেন আরও ১০ বল।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০১ রান করে আউট হলে গতকাল দুপুরে উইকেট আসেন মুশফিক। চতুর্থ উইকেটে মুমিনুল হকের সঙ্গে ৭৫ রানের জুটি গড়েন। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে শেষ বিকেলে হতাশ করেন মুমিনুল। ব্যক্তিগত ৯১ রানে নোমান আলীর এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়েন এই বাঁহাতি ব্যাটার। এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি মুশফিক। লিটনকে নিয়ে বাকি বাকিটা সময় নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দেন।
প্রথম দিনের খেলা শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান করেছিল বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। ৩১ রানেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মাহমুদুল হাসান এবং সাদমান ইসলাম। সেই তুলনায় মুশফিক এবং লিটনের ব্যাটে দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ছিল কিছুটা স্বস্তিময়। ৩৩ রান করে লিটন যখন ফিরলেন, তখন বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে জমা পড়েছে ৩৩৮ রান। পঞ্চম উইকেটে ৬২ রান যোগ করেন এই দুজন। দায়িত্বহীন শট খেলে লিটন ফিরলেও একপ্রাপ্ত আগলে রেখে ব্যাট করে যাচ্ছেন মুশফিক। দারুণ ফর্মেই আছেন এই ব্যাটার। গত নভেম্বরে নিজের শততম টেস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি তুলে নেন। এবার ১৪ তম টেস্ট সেঞ্চুরির অপেক্ষায় মুশফিক।