প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে গ্লোবাল সুপার লিগের (জিএসএল) ফাইনাল দেখতে গ্যালারিতে আসা দর্শকেরা হতাশ হলেন সবচেয়ে বেশি। ফাইনালের মতো মঞ্চে টিকিট কেটে মাঠে এসে ম্যাড়ম্যাড়ে এক ম্যাচের সাক্ষী হতে হলো ভক্তদের। দুই দলের ঘুম পাড়ানি ব্যাটিংয়ে শেষ হাসি হাসল গায়না আমাজন ওয়ারিয়র্স। সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসকে ৬ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকেরা।
নিজেদের মাঠে ব্যাট করতে নেমে গায়ানার পুঁজি ছিল মাত্র ৮৫ রানের। টি-টোয়েন্টির এই যুগে যেখানে অহরহই ২০০-র ওপর রান তাড়া করে ম্যাচ জিততে দেখা যায় বিভিন্ন দলকে, সেখানে এই রান করেই প্রতিপক্ষকে আটকে দিল গায়ানা। লক্ষ্য তাড়ায় ৭৯ রানের বেশি করতে পারেনি ইউনিকর্নস।
লো স্কোরিং এই ম্যাচে বেশ কিছু রেকর্ড হয়েছে। পেশাদার টি-টোয়েন্টির কোনো ফাইনালে এত কম রান করে জয়ের রেকর্ড নেই আর কোনো দলের। আগের রেকর্ডটি ছিল নাইজেরিয়ার দখলে। ওয়েস্ট আফ্রিকা ট্রফির ফাইনালে ১০৩ রান করেও রোয়ান্ডার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছিল নাইজেরিয়ানরা। সে রেকর্ডটি এখন গায়ানার দখলে।
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে গায়ানা। দলীয় ২৯ রানেই ৮ ব্যাটারকে হারায় তারা। সে ধাক্কা সামলে আর স্কোরবোর্ড ভারী করতে পারেনি। ১৮.৫ ওভারে অলআউট হয় গায়ানা। শুরুর বিপর্যয় সামলে শেষ দিকে ম্যাথু ফোর্ড ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের ব্যাটে ১০০’র কাছাকাছি পুঁজি পায়। ২৩ বলে ২৮ রান এনে দেন ফোর্ড। প্রিটোরিয়াসের অবদান ১৭ রান। এ ছাড়া ১১ রান করেন ইমরান তাহির। ইউনিকর্নসের হয়ে পিটার সিডল ও ইমানুয়েল তিনটি করে উইকেট নেন।
রান তাড়ায় ইউনিকর্নসও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। তাদের হয়ে ওলিভার পিক ছাড়া আর কেউ প্রতিপক্ষের বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। পিক ২৮ বলে ৩১ রান করলেও সঙ্গীর অভাবে দলের হার এড়াতে পারেননি। ইউনিকর্নসকে অলআউট করার পথে প্রিটোরিয়াস ও মোহাম্মদ নবী তিনটি করে উইকেট নেন।