আইসিসি টুর্নামেন্ট এলেই প্যাট কামিন্সকে পাবে না অস্ট্রেলিয়া, সেটা যেন এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়াচ্ছে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর এবার ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দেখা যাবে না এই তারকা অলরাউন্ডারকে। তাঁকে ছাড়াই ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে অনুষ্ঠেয় ছোট সংস্করণের বিশ্বকাপের জন্য দল দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
গোড়ালির চোটের কারণে ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে জায়গা পাননি কামিন্স। এবার পিঠের চোটের কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে বিবেচনা করেনি সিএর নির্বাচকেরা। চোট কাটিয়ে সুস্থ হয়ে উঠবেন এই আশায় কামিন্সকে প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছিল। বিশ্বকাপের মাঝপথে তাঁকে পাওয়ার আশায় ছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো পরিকল্পনাই কাজে এল না।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সবশেষ ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই সংস্করণে দেখা গেছে কামিন্সকে। সবশেষ অ্যাশেজ সিরিজে পার্থ ও ব্রিসবেন টেস্টে মাঠে নামেননি তিনি। অ্যাডিলেড টেস্টের একাদশে থাকলেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয় কামিন্সকে নিয়ে। শেষ দুটি ম্যাট থেকে ছিটকে যান। তখনই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁর খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সে শঙ্কাই এবার সত্যি হলো।
কামিন্স ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি স্টিভ স্মিথের। বিগ ব্যাশে নিজেকে প্রমাণ করলেও দলের সঙ্গে বিশ্বকাপের বিমানে উঠা হবে না এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের। ম্যাথু শর্টের পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছে ম্যাট রেনশকে। কামিন্সের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন বেন দারসুইশ।
দল নির্বাচন নিয়ে সিএ নির্বাচক টনি ডোডেমেইড বলেন, ‘কামিন্সের পিঠের চোট সারতে আরও সময় লাগবে। তাঁর বদলি হিসেবে বেন দারসুইশকে প্রস্তুত আছে। সে বাঁহাতি পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি ভালো ফিল্ডিং করতে পারে এবং নিচের দিকে ব্যাট হাতেও অবদান রাখতে পারে। ম্যাথু রেনশ সাম্প্রতিক সময়ে সব সংস্করণেই ভালো ক্রিকেট খেলছে। শ্রীলঙ্কায় গ্রুপ পর্বে স্পিন সহায়ক উইকেট হতে পারে। সে ক্ষেত্রে মিডল অর্ডারে রেনশ বাড়তি ভারসাম্য দেবে। বাঁহাতি ব্যাটার হিসেবে সে দলে আলাদা মাত্রাও যোগ করবে।’