এক দেশের এক শহরে ছিল এক দুষ্টু ছেলে। নাম গ্রিশকা। একদিন সে একটা মেয়ের সাইকেল কেড়ে নিল। তারপর চালানো হয়ে গেলে সাইকেলটা নোংরা পানিতে ফেলে দিল। মেয়েটা ইট ফেলে ফেলে সাঁকো বানিয়ে সাইকেলটার কাছে গেল। তখন ছেলেটা সাইকেল অন্য একটি নোংরা জায়গায় নিয়ে রাখল। এ দৃশ্য দেখে মেয়েটা কেঁদে ফেলল। ঠিক সেই সময় পাশের বাড়ি থেকে ভানিয়া নামের একটি ছেলে বেরিয়ে এল। সে গ্রিশকাকে সাইকেলটা এনে দিতে বলল। গ্রিশকা ভয়ে ভয়ে সাইকেলটা এনে দিল। কিন্তু গ্রিশকা মনে মনে এর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করল।
সেই শহরের একজন খুব ভালো মানুষ মহাকাশচারী ছিলেন। তাঁর কাছে সাহায্যের আশায় গিয়ে কেউ খালি হাতে ফিরেছে, এমন কখনো ঘটেনি। সবাই বলে, এই মহাকাশচারী নাকি সব পারেন। তো সাহায্যের আশায় গ্রিশকা মহাকাশচারীর কাছে গেল। তাঁকে সব খুলে বলল এবং সে শক্তিশালী হতে চাইল। মহাকাশচারী এ ইচ্ছা পূরণে তাকে মহাকাশে পাঠিয়ে দিলেন।
মহাকাশে গিয়ে গ্রিশকা দেখল, সেখানে সে বড় বড় পাথর সহজেই ওঠাতে পারছে। সে নিজেকে খুব শক্তিশালী ভাবল। আসলে ব্যাপারটা হলো চাঁদে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নেই বলে কাজগুলো সহজেই সে করে ফেলছিল।
গ্রিশকা এ বিষয়টি বুঝতে পারেনি। তারপর আর কী ঘটল, বলো তো? জানতে হলে পড়ে ফেলো আনাতোলি মিতিয়ায়েভের বইটি। অনুবাদ করেছেন অরুণ সোম।