হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবন: সুষম খাদ্যের সঠিক ফর্মুলা দেবে এআই সফটওয়্যার

সুমন গাজী

গবেষণার কাজে ব্যস্ত বাকৃবির একটি দল। ছবি: সংগৃহীত

পোলট্রি, গবাদিপশু এবং মাছের খাদ্য প্রস্তুতে খরচ কমিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক ‘বাউ-ফিড সার্ভিস’ (বাউ-এফএস) নামে একটি স্মার্ট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেছেন। গবেষকদের দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) এই সফটওয়্যার প্রাণিখাদ্যের সঠিক ফর্মুলা নির্ধারণের পাশাপাশি সর্বনিম্ন ব্যয়ে সুষম খাদ্য প্রস্তুতে সহায়তা করবে।

‘ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ভ্যালিডেশন অব সফটওয়্যার অ্যাসিস্টেড লাইভস্টক অ্যান্ড পোলট্রি ফিডিং ফর প্রোডাকটিভিটি’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় সফটওয়্যারটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। প্রকল্পটির প্রধান গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. শহিদুর রহমান। এতে অর্থায়ন করেছে লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট।

ড. শহিদুর রহমান আরও জানান, ‘বাউ-এফএস’ সফটওয়্যার খাদ্য উপাদানের পুষ্টিমান, বাজারদর এবং গুণগত বৈচিত্র্য বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্বনিম্ন ব্যয়ের খাদ্য ফর্মুলা তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এতে যুক্ত করা হয়েছে দেশের প্রথম ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল ফিড লাইব্রেরি’ প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মে খাদ্য উপাদানের ছবি, পুষ্টিমান এবং ভৌত বৈশিষ্ট্যের তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব।

শহিদুর রহমান বলেন, সফটওয়্যারটির ‘স্যাম্পল কম্প্যারিজন’ ফিচারের মাধ্যমে খামারিরা বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের পুষ্টিমান এবং দামের তুলনা করে সহজে ক্রয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এর ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিরা কম খরচে মানসম্মত খাদ্য প্রস্তুত করে লাভজনকভাবে খামার পরিচালনা করতে পারবেন।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি অনুষদের সম্মেলনকক্ষে প্রকল্পটির সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অনুষদের ডিন ড. মো. রুহুল আমিন। প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ প্রাণিসম্পদ অফিসের পরিচালক ডা. মনোরঞ্জন ধর।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস পোলট্রি খাত। বর্তমানে দেশে মাথাপিছু দৈনিক প্রায় ১৩৬ গ্রাম মাংস এবং বছরে ১৩৬টি ডিম উৎপাদিত হয়। তবে মোট উৎপাদন ব্যয়ের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই খাদ্যের পেছনে ব্যয় হয়।

শহিদুর রহমান বলেন, দেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ফিড মিল এখনো খাদ্য প্রস্তুতে প্রচলিত পদ্ধতি, বইভিত্তিক তথ্য কিংবা খাদ্য উপাদানের বাহ্যিক রং ও গন্ধের ওপর নির্ভর করেন। অথচ উৎস, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতের ভিন্নতার কারণে একই ধরনের উপাদানের পুষ্টিমানে বড় পার্থক্য দেখা যায়। এর ফলে অনেক সময় খাদ্যে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি হয়।

এই সমস্যা সমাধানে গবেষণার অংশ হিসেবে প্রায় ২৫০ ধরনের পোলট্রি খাদ্য উপাদানের ছবি, পুষ্টিমান ও ভৌত বৈশিষ্ট্য নিয়ে একটি ডিজিটাল পিক্টোরিয়াল ফিড লাইব্রেরি তৈরি করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে জোর দিচ্ছে চীন

শিশুদের আশার আলো নাঈম

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন গড়ছে নোবিপ্রবির ‘লুমিনারি’

‎জাবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৪ সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের

১৫ বছরে ৭ উপাচার্য, চারজনকেই অপসারণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কৃষ্ণচূড়া উৎসব’

জবি আইনজীবী সমিতির সভাপতি তরিকুল, সম্পাদক পলাশ

বেরোবিতে উপাচার্য নিয়োগের পরপরই তা বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন

সকালে তালা ভেঙে দখল, বিকেলে বিদায়: ববির নতুন উপাচার্য ড. মামুন অর রশিদ

কুবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম