টাঙ্গাইলের সখীপুরে কুকুরের কামড়ে অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৯টি শিশুও রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সখীপুর পৌর এলাকাসহ কালিয়া, গজারিয়া, বহেড়াতৈল, কাকড়াজান ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে আবদুর রশিদ নামের একজনকে রাজধানীর মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার দুপুরের পর কুকুরের আক্রমণে আহত হয়ে পাঁচ-সাতজন চিকিৎসা নিতে আসেন। পরে ওই দিনই একে একে ৩১ জন কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়ে চিকিৎসা নেন। আজ সোমবার বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আরও ২৩ জন কুকুরে কামড়ানো রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ দিকে হঠাৎ কুকুরের আক্রমণে আহত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ভ্যাকসিনের সংকট দেখা দিয়েছে। রোগীরা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত মেহেরা বেগম (৫০) বলেন, ‘আমার নাতনিকে কোলে নিয়ে সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ একটি কুকুর এসে নাতনিকে কামড় দেওয়ার চেষ্টা করলে আমি হাত দিয়ে বাধা দিই। এ সময় কুকুরটি আমার হাতেই কামড় বসিয়ে দেয়।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন, হাসপাতালে কুকুরে কামড়ানো রোগীর পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন বরাদ্দ নেই। জরুরি ভিত্তিতে কয়েকজনকে হাসপাতাল থেকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। অনেকে বাইরে থেকেও ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ছাড়া বেশি ক্ষত হওয়া কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি কুকুরের বিষয়ে উপজেলার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।