রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনের মানুষের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গার সমর্থক ও পুলিশের বাধা মুখে পড়েছেন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভাতিজা। গাড়ি ভাঙচুর ও তাঁকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ করেছেন তিনি। পরে পুলিশের প্রহরায় গঙ্গাচড়া বাজারের বাইরের এলাকায় জনসংযোগ করেন।
হামলার শিকার শাহারিয়ার আসিফ জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের ভাতিজা এবং জাতীয় যুবসংহতির//// কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি।
আসিফ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ‘আজ শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে আমি আমার লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলাম। গঙ্গাচড়া বাজার দিয়ে মন্থনা বাজারে ঢুকতে গেলে গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজের সামনে রাস্তায় বালুর ট্রাক রেখে বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে গঙ্গাচড়া বাইপাস দিয়ে মন্থনা বাজার যাওয়ার সময় ভুটকা চারমাথা এলাকায় এমপি রাঙ্গার লোকজন আমার গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। আমার গাড়ির সামনে এসে আমাকে লাঞ্ছিত করে এবং আমার সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপর হামলার চেষ্টা করে। এতে আমার লোকজন কিছু আহত হয়। আমার সঙ্গে থাকা তিনটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে তারা।’
আসিফকে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান বলেন, ‘আমাদের বাধা দেওয়ার একমাত্র কারণ যাতে দুপক্ষের মাঝে কোনো প্রকার ঝামেলা না হয়। এ জন্য আমরা আসিফ সাহেবকে গঙ্গাচড়া না ঢুকে গঙ্গাচড়ার বাই সাইটগুলোতে জনসংযোগ করতে বলি। তবে কে বা কারা তাঁদের গাড়ির ওপর এবং তাঁদের ওপর হামলা করে জানি না। আমরা অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।’