নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা, দুই বোন ও ভাগনেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা এবং ভাগনে সবুজ রানা (২২)।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের আরেক বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে আগেও তাঁদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অভিযোগ করেন, তাঁর মেয়ের ননদ শিরিনা ও ননদের ছেলে সবুজ রানা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তাঁরা তাঁর মেয়ে ও জামাইকে হত্যার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
পপির ভাই আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বোনকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো। এর আগেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।’
ঘটনা জানাজানি হলে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।