শিঙাড়া দেওয়ার কথা বলে ১০ বছরের এক শিশুকে দোকানের ভেতর ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল দোকানদার জলিল মিয়ার (৩৫) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে ফেরারি জীবন কাটাচ্ছিলেন তিনি। তবে শেষরক্ষা হয়নি। ঘটনার প্রায় এক বছর পর র্যাবের জালে ধরা পড়েছেন আসামি জলিল মিয়া।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজার জেলা সদরের সড়ক বিভাগের অফিসের সামনে থেকে জলিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প ও র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। গ্রেপ্তার জলিল মিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার মধ্যগোপদিঘি এলাকায়।
র্যাবের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানানো হয়, গত বছরের ১ জুন দুপুরে মিঠামইন উপজেলায় জলিল মিয়ার দোকানে শিঙাড়া ও পুরি কিনতে গিয়েছিল ওই শিশু। তখন দোকানে অন্য কেউ ছিল না। শিঙাড়া দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জলিল মিয়া শিশুটিকে দোকানের ভেতরে ডেকে নেন এবং ধর্ষণ করেন।
ওই দিনই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর থেকে জলিল মিয়া পলাতক। তাঁকে আইনের আওতায় আনতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। অবশেষে গতকাল রাত পৌনে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মিঠামইন থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।