মানিকছড়ি উপজেলার কোরবানির হাটে ছোট ও মাঝারি গরুর বেচাকেনায় ব্যাপক সাড়া মিললেও বড় গরুর চাহিদা তুলনামূলক কম। ফলে অনেক খামারি নিজ উদ্যোগে বড় গরু নিয়ে সমতলের হাট, বিশেষ করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন বাজারে যাচ্ছেন।
হাট ইজারাদার, বিক্রেতা ও প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ রোববার পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন হাটে প্রায় আড়াই হাজার গরু-ছাগল বেচাকেনা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ছাগলের সংখ্যা ছিল ১০০ থেকে ১৫০টি। এ ছাড়া খামারিরা শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুই শতাধিক গরু সরাসরি নিয়ে গেছেন।
খামারিরা জানান, ছোট ও মাঝারি গরুর বিক্রি তুলনামূলক ভালো হলেও বড় গরু বিক্রি না হওয়ায় তাঁরা লোকসানের ঝুঁকিতে পড়েছেন। একাধিক খামারি জানান, একটি গরু হাটে তুলতে শ্রমিক ও পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় বারবার হাটে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তাঁরা চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরের হাটে গরু স্থানান্তর করছেন।
স্থানীয় বাজারে ৭০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকার মধ্যে গরুর বেচাকেনা বেশি হলেও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি দামের কিছু বড় গরুও বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।
মোখলেছ উদ্দিন নামের এক খামারি বলেন, সবুজ ঘাস, খড় ও দানাদার খাদ্যে মোটাতাজা করা বড় গরুর জন্য স্থানীয় বাজারে ক্রেতা কম থাকায় তাঁরা সমতলের বাজারের দিকে ঝুঁকছেন। তবে মাঝারি গরুর চাহিদা থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, উপজেলায় কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত গরু-ছাগল রয়েছে এবং স্থানীয় ও সমতলের চাহিদা মিলিয়ে বেশির ভাগ পশুই বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অবশিষ্ট কিছু পশু থেকে যেতে পারে বলেও মনে করছেন তাঁরা।