গাইবান্ধা জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৯ রোগী। এর মধ্যে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে তিন শিশু। হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এই শিশুদের।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরামের আরিফ মিয়ার শিশু ছাব্বির (৬), গাইবান্ধা সদর উপজেলার শিবপুরে বেলালের শিশু তাসিন (৪), মালীবাড়ীর শরীফের শিশু মারুফ (৫)। এ ছাড়া ছয়জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গেছে।
অভিভাবকেরা জানান, বাচ্চাদের প্রথমে সর্দি, জ্বর ও পাতলা পায়খানা শুরু হলে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন তাঁরা। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎকেরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।
হামের রোগী মারুফের বাবা শরীফ বলেন, ‘আট দিন আগে জ্বর ও পাতলা পায়খানা শুরু হয়। গ্রাম্য ডাক্তারের চিকিৎসা নিয়ে ভালো না হওয়ায়, পরে হাসপাতালে ভর্তি করাই। এখন মোটামুটি রোগী ভালো আছে।’
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আসিফ বলেন, ‘হামের লক্ষণ নিয়ে যে ৯ জন চিকিৎসা নিয়েছে, তারা সবাই শিশু। এসব রোগী অন্য রোগীর সংস্পর্শে গেলে সেটি ছড়ানোর শঙ্কা রয়েছে। তাই বিশেষ আইসোলেশন তৈরি করে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের আমরা ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করানোর পরামর্শ দিচ্ছি। এ ছাড়া আমাদের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা রোগের ধরন ও মাত্রা দেখে নিয়মিত চিকিৎসা পরামর্শ দিচ্ছেন। এ নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই।’