রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার নলভোগ এলাকায় তাঁর কর্মস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে স্বজনদের দাবি, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত নারীর নাম কামরুন্নাহার (৩০)। তিনি ওই অফিসে অস্থায়ীভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন।
কামরুন নাহারের দেবর হামিম গণমাধ্যমকে বলেন, তুরাগের নলভোগ এলাকায় স্বামী মনিরুল ইসলামের সঙ্গে থাকতেন কামরুননাহার। তিনি স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। আজ সকালে তিনি কর্মস্থলে যান। এর ঘণ্টাখানেক পর সেখানকার একটি কক্ষে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। বিষয়টি সন্দেহজনক। হঠাৎ তিনি কেন আত্মহত্যা করবেন। তাঁকে হত্যা করা হয়।
তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ সোমবার সকালে খোঁজ পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ওই অফিসের একটা কক্ষের দরজা ভেঙে তাঁর ফাঁস লাগানো অবস্থার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। তবে কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।