হোম > সারা দেশ > ঢাকা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: আবাসনের অপেক্ষা বাড়ছেই

সোহানুর রহমান, জবি

ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে তিন মাসের মধ্যে অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এক বছরের বেশি সময় আগে। তবে সেই প্রকল্পের কাজ এখনো শুরুই হয়নি; বরং অস্থায়ী আবাসনের জন্য বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা দিয়ে এখন ১০ তলাবিশিষ্ট স্থায়ী ছাত্র হল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরই মধ্যে এই প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এতে আবাসনসংকটের সমাধান আরও বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা করেছেন শিক্ষার্থীরা।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘ মেয়াদে অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থীকে আবাসন সুবিধা দিতে স্থায়ী ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে আবাসনসংকট নিরসনের জন্য অতিরিক্ত ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরিকল্পনা ছিল কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ করে দ্রুত শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করার।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের একপর্যায়ে গত বছরের ১৬ মে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ হয়। তাঁর আশ্বাসের পর অনশন প্রত্যাহার করা হয়। পরে কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সাত একর জমিতে দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এক বছর পরও সেই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। এর পরিবর্তে গত ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে ১০ তলাবিশিষ্ট ছাত্র হল নির্মাণের জন্য ই-টেন্ডার আহ্বান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অস্থায়ী আবাসনের পরিবর্তে বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে। কারণ, একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণে নকশা অনুমোদন, দরপত্র, ঠিকাদার নিয়োগ এবং নির্মাণকাজ শেষ করতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন।

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহি বলেন, ‘স্থায়ী ভবন অবশ্যই ভালো উদ্যোগ। কিন্তু যে টাকা জরুরি আবাসনসংকট সমাধানের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল, সেটি দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নেওয়ায় আমরা হতাশ। আগে অন্তত অস্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। এরপর স্থায়ী হল নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীরা তা আরও ইতিবাচকভাবে নিত।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘বিষয়টি সত্যিই হতাশাজনক। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে বিভিন্ন সভায় বারবার বলেছি, অস্থায়ী আবাসনের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব। কিন্তু সেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করে স্থায়ী হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন যদি অস্থায়ী আবাসনের বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা আবারও আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।’

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘টিনশেড ভবনে জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের বিষয় বিবেচনা করে স্থায়ী ১০ তলা ছাত্র হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল অস্থায়ী আবাসনের জন্য। তবে ওয়ার্কস কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিনশেড ভবনের পরিবর্তে স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টিনশেড ভবন ভবিষ্যতে ভেঙে ফেলতে হতো। স্থায়ী ভবন হলে সেটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যাবে।

গাবতলীতে মাছবাহী গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ১

জকসু ভিপি-জিএস-এজিএসকে অবাঞ্ছিত করার হুমকি ছাত্রদলের

মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

পল্লবীতে গুলির ঘটনায় হত্যাচেষ্টার মামলা, গ্রেপ্তার নেই

আলিয়া মাদ্রাসায় শিবিরের প্রবেশে পুলিশের বাধা, ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার

বিক্ষিপ্ত ময়লা-আবর্জনা দেখে ডিএনসিসি প্রশাসকের অসন্তোষ

শিশুর অভিভাবকত্বে মায়ের স্বীকৃতির দাবি

তেলের ট্যাংক কাটার সময় বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত, আহত ১

আ.লীগের মশাল মিছিলের প্রস্তুতি: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে ৩, শিশু উন্নয়নকেন্দ্রে ৪

প্রতিটি বাড়ির পেছনে কি ইন্সপেক্টর লাগিয়ে রাখতে হবে, প্রশ্ন রাজউক চেয়ারম্যানের