হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়নে সমন্বিত ভূমিকা রাখব: মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সকল জনগোষ্ঠীর আস্থা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই এ অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

আজ বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এই অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল, যেখানে ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ বাঙালি জনগোষ্ঠীর সহাবস্থান জাতীয় ঐক্যের অনন্য দৃষ্টান্ত। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত মন্ত্রণালয়টি শুরু থেকেই পার্বত্যবাসীর কল্যাণ ও চুক্তির বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করে বলেন, ব্রিটিশ আমলের কিছু আইন এখনো কার্যকর থাকায় নবপ্রণীত আইনগুলোর সঙ্গে কিছু অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধানের সুষমকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে অগ্রগতি হলেও তা এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে জানানো হয়। মাত্র প্রায় ৩ শতাংশ জমি চাষযোগ্য হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাবে দারিদ্র্যের হার তুলনামূলক বেশি। এ বাস্তবতায় দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।

এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সংস্কৃতি খাতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যার অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক বলে জানানো হয়। দুর্গম এলাকায় পাড়াকেন্দ্রের মাধ্যমে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও সুপেয় পানি সরবরাহ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

সম্মেলনে বান্দরবান জেলায় উপজেলাভিত্তিক কলেজগুলোতে পর্যায়ক্রমে হোস্টেল স্থাপনের উদ্যোগ এবং খাগড়াছড়িতে নতুন হোস্টেল নির্মাণের প্রস্তাব বিবেচনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় হেডম্যান অফিস নির্মাণের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কথাও তুলে ধরা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বান্দরবানে পানি ও স্যানিটেশন উন্নয়নে ৪৫.১৬২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়া দুর্গম এলাকায় গ্র্যাভিটি ফ্লো সিস্টেম ও সোলার পাম্পের মাধ্যমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ খাতে আরও প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সমাপনী বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ অঞ্চলের জনগণের জীবনমান আরও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রমুখ।

চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স থেকে ইয়াবা জব্দ, কারাগারে ২

চট্টগ্রামে ছাত্রী ধর্ষণের ৯ দিন পরও গ্রেপ্তার নেই, সড়ক অবরোধ

৭ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল ৩ বছরের শিশুর

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ

ক্ষতিগ্রস্ত পদ্মা অয়েলের জেটি, ক্ষতিপূরণ না দেওয়ায় ৭ দিন ধরে আটকে আছে জাহাজ

আজ সৌদি আরব থেকে আসছে ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল

জুলাই থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কার্যালয় আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে

চবিতে শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

শাটল ট্রেনে পাথরে মাথা ফাটল চবি শিক্ষার্থীর

চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্যের ব্যাগে মিলল ৫০ হাজার ইয়াবা