চট্টগ্রামে ইয়াবা ব্যবসার মাধ্যমে অবৈধভাবে ৮২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৯ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ‘মাদক সম্রাট’ ছাবেরুল ইসলামকে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্জিত সম্পদের অর্থের সমপরিমাণ অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ছাবেরুল ইসলাম (৪৪) চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দক্ষিণ পারুয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোকাররম হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অপরাধে আদালত আসামি ছাবেরুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১০ মার্চ দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেন ছাবেরুল। একই সঙ্গে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ও অবৈধভাবে ৮২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৯ টাকা অর্জন করে তা ভোগদখলে রাখার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
দুদক চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২-এর তৎকালীন সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
দুদকের মামলায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যের বরাত দিয়ে উল্লেখ করা হয়, আসামি ছাবেরুল ইসলাম ও তাঁর ভাই হাছান মাঝি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় তাঁরা মাদক সম্রাট হিসেবেও পরিচিত।
তদন্ত শেষে দুদক অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।