হোম > সারা দেশ > বগুড়া

পথশিশুদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করলেন ডিসি-এসপি

বগুড়া প্রতিনিধি

পথশিশুদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। আর সেই ঈদ আনন্দকে সবার মাঝে ভাগাভাগি করার মানবিক চেতনা থেকেই সমাজের সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসন। সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই আয়োজন করেন বগুড়ার আকবরিয়া গ্রুপ।

শনিবার (২১ মার্চ) সকালে শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কে অবস্থিত আকবরিয়া গ্র্যান্ড হোটেলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে শতাধিক পথশিশু অংশ নেয়। শুরুতেই তাদের চকলেট দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। পরে তাদের পরিবেশন করা হয় ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা সেমাই, সাদা পোলাও, গরু ও খাসির মাংস। খাবারের শেষে দই ও মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আকবরিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান আলী আলালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ (পিপিএম)।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাউল করিম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম খায়রুল বাশার।

পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ (পিপিএম) বলেন, মানবজাতি পরস্পরের সঙ্গে আত্মার বন্ধনে আবদ্ধ। সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করার মধ্যেই প্রকৃত মানবিকতা নিহিত। এ মানসিকতা সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

আয়োজনে অংশ নেওয়া শিশুদের অধিকাংশই পথের দিশা ভাসমান স্কুল ও আলহাজ আকবর আলী শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

পথের দিশা ভাসমান স্কুলের পরিচালক মোস্তফা মোঘল বলেন, ‘আকবরিয়ার এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। পথশিশুরা হয়তো এ ধরনের খাবার খাওয়ার সুযোগ পেত না। এই আয়োজন তাদের জন্য আনন্দের।’

স্ত্রীর পরকীয়ায় স্ট্যাটাস দিয়ে ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

২১ ওয়ার্ড নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠন

বগুড়ায় ‘লাল মরিচ বিপ্লব’ ৩০০ কোটির বাণিজ্য

ধুনটে ছাত্রকে যৌন নিপীড়নের বিচার দাবিতে মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে স্মারকলিপি

রোগীর স্বজনদের হামলার প্রতিবাদে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে কর্মবিরতি

বগুড়ার সাবেক চেয়ারম্যান সিটন ঢাকায় গ্রেপ্তার

২৭৮ টাকার ভূমি কর ২ হাজার টাকা, নায়েবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বগুড়ায় ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মকর্তা নিহত

বগুড়ায় ছুরি নিয়ে যুবকের ওপর হামলা, যুবদল কর্মীর ভিডিও ভাইরাল

চাপাপুর-নশরতপুর সড়ক: ৬ মাসের কাজ শেষ হয়নি দুই বছরেও