হোম > নারী

দক্ষিণ আফ্রিকার আগস্ট বিপ্লব

ফিচার ডেস্ক

আগস্ট শুধু আমাদের দেশেই নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাস।

দক্ষিণ আফ্রিকায় তখনো শ্বেতাঙ্গদের শাসন চলছে। সংখ্যাগুরু কৃষ্ণাঙ্গরা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত। ১৯৫৬ সালে শ্বেতাঙ্গ সরকার কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য পাসপোর্টের বদলে বিশেষ একটি পাস চালু করে। এই বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষেরা প্রতিবাদ করতে থাকে। সেই প্রতিবাদের শক্তিশালী অংশ ছিল নারীরা।

৯ আগস্ট ১৯৫৬। দিনটি ছিল প্রতিবাদে প্রকম্পিত। সেদিন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রায় ২০ হাজার কৃষ্ণাঙ্গ নারীর একটি দল অপমানজনক ‘পাস আইন’-এর বিরুদ্ধে মিছিল শুরু করে। লিলিয়ান এনগয়ি, হেলেন জোসেফ, আলবার্টিনা সিসুলু এবং সোফিয়া উইলিয়ামস-ডি ব্রুইনের নেতৃত্বে সে মিছিল শুরু হয়। মিছিলের অভিমুখ ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জোহানেস গেরহার্ডাস স্ট্রিজডমের অফিস। প্রধানমন্ত্রী সে সময় অফিসে না থাকায় তাঁর সচিবের কাছে নিজেদের দাবিসংবলিত চিঠি হস্তান্তর করা হয়েছিল সেদিন। সে সময় নারীদের মিছিল থেকে গাওয়া হচ্ছিল, ‘ওয়াথিন্ট আবাফাজি, ওয়াথিন্ট ইমবোকোডো’ শিরোনামের একটি গান। এর অর্থ, নারীদের আঘাত করা মানে পাথরে আঘাত করা। এই স্লোগান সে সময়কার সরকারকে ভীষণভাবে ভীত করে তুলেছিল।

নারীদের সে মিছিল এবং তাদের প্রতিবাদকে স্মরণ করার জন্য ৯ আগস্ট এখন দক্ষিণ আফ্রিকায় জাতীয় নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়।

সূত্র: গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার

শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না

নিরাপত্তাহীন নারী ও শিশু, সংখ্যা বাড়ছে নির্যাতিতের

শেক্‌সপিয়ার বিশেষজ্ঞ ভয়ংকর এক নারী ইয়েং থিরিথ

ক্ষত আর স্বপ্ন নিয়ে নতুন ভোরের অপেক্ষায় নারীরা

বইকে বেঁচে থাকার শক্তি হিসেবে দেখাতে চান দিয়া

সৌন্দর্যশিল্পের মুকুটহীন সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথ আরডেন

বড়দিনের বিখ্যাত গানগুলোর নেপথ্যের নারীরা

উদ্যোক্তা মেলা: সংখ্যা কমলেও আশাবাদী নারী উদ্যোক্তারা

রোজের ফুটে ওঠার গল্প

আন্তর্জাতিক নারী: অন্ধকার আকাশ যাঁর ল্যাবরেটরি