ঘরের মাঠে ৮ বছর পর সাফ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে সময় যত ঘনিয়ে আসছে, টুর্নামেন্ট নিয়ে উন্মাদনা সেভাবে চোখে পড়ছে না। এর মধ্যেই গত পরশু থেকে শুরু হয়েছে টিকিট বিক্রি। কিন্তু টিকিট বিক্রিতে এতটাই ভাটা যে দুই দিন পেরিয়ে গেলেও ফাঁকা রয়েছে দুই-তৃতীয়াংশ আসন। এক টিকিটে দুই খেলা দেখার সুযোগ মিললেও এখনো ১৪ হাজারের বেশি টিকিট অবিক্রিত।
অথচ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ম্যাচগুলোতে টিকিট বিক্রি ছিল চোখে পড়ার মতো। গত বছর বাংলাদেশ–ভারত লড়াইয়ের টিকিট শেষ হয়ে যায় ছয় মিনিটেই। এবার অবশ্য এত দ্রুত মাঠে দর্শক টানতে না পারার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে টিকিটের দাম। ভারত ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির দাম ৪০০ টাকা হলেও এবার সাধারণ গ্যালারির একটি টিকিটের নির্ধারিত মূল্য ৯৯৯ টাকা। অনলাইনে কিনতে গেলে এর সঙ্গে আরও ৬৩ টাকা সার্ভিস চার্জ যোগ হচ্ছে। গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে একজন দর্শককে খরচ করতে হচ্ছে ১ হাজার ৬২ টাকা।
টিকিটের দামের পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটার অতিরিক্ত খরচ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দর্শকদের জন্য টিকিটের দাম ৫০০ টাকা রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলে দাবি মার্কেটিং স্বত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তার। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল, দিনে একটি ম্যাচের আয়োজন করে টিকিটের দাম কম রাখা। কিন্তু ভেন্যু ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের কারণে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়নি। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘টিকিটের দাম অবশ্যই বেশি কিন্তু আমাদের কিছু করার ছিল না। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি এক দিন এক ম্যাচ রেখে টিকিট ৫০০ টাকা রাখার। ভেন্যু, অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সম্ভব হয়নি।’
টিকিট বিক্রির হিসাবও এখনো পুরো স্টেডিয়ামকে অন্তর্ভুক্ত করছে না। জাতীয় স্টেডিয়ামের ভিআইপি বক্সের বেশ কিছু আসন করপোরেট প্রতিষ্ঠান, রেডবক্স, বাফুফে ও সাফের জন্য সংরক্ষিত। আপাতত বাংলাদেশ-ভুটান ও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট বিক্রি করছে টিকিফাই।