নিয়ম অনুযায়ী ইন্টার মায়ামির পরের ম্যাচে খেলার কথা না লিওনেল মেসির। কারণ, এরই মধ্যে তিনি পাঁচ হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন। তবে আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার এই নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ছেন না। ভালো আচরণের পুরস্কার হিসেবেই খেলার সুযোগ পাচ্ছেন মেসি।
বাংলাদেশ সময় পরশু ভোরে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে মুখোমুখি হবে নিউ ইংল্যান্ড-ইন্টার মায়ামি। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কোনো মৌসুমে কেউ পাঁচ হলুদ কার্ড দেখলে তাঁকে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ২৫০ ডলার জরিমানা করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩১ হাজার টাকা। সবশেষ গত ২৯ অক্টোবর সিনসিনাটির বিপক্ষে হলুদ কার্ড দেখেন মেসি। এখানে আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার এমএলএসের আরেক নিয়মের কারণে বেঁচে গেছেন। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ফুটবলার যদি হলুদ, লাল কার্ড বা বাড়তি কোনো শাস্তি না পেয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলেন, তবে তাঁর নামের পাশে থাকা হলুদ কার্ড আপনাআপনিই একটা কমে যায়। লিগে এ ধরনের ‘ভালো আচরণের প্রণোদনা’ মৌসুমে সর্বোচ্চ তিনবার কার্যকর হয়।
চলতি মৌসুমের শুরুতে কোনো হলুদ কার্ড না দেখেই মেসি টানা পাঁচ বা তার বেশি ম্যাচ খেলেন। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী সমন্বিত এই কার্ডের সংখ্যা ঋণাত্মক বা শূন্যের নিচে চলে আসতে পারে না। আর্জেন্টাইন তারকা এরপর দুই ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেন। এরপর কোনো কার্ড না দেখে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলায় কার্ডের সংখ্যা একটিতে নামিয়ে আনেন। আরেক হলুদ কার্ড দেখায় সেটা আবার দুটিতে পৌঁছায়।
দুই হলুদ কার্ডের পর মেসি টানা ১০ ম্যাচ কোনো কার্ড দেখেননি। তাতে সংখ্যাটা শূন্যে নেমে আসে। কিন্তু শেষ তিন ম্যাচের দুটিতেই হলুদ কার্ড দেখায় কার্ড সংখ্যা দুইয়ে এসে পৌঁছেছে। ২৯ অক্টোবর এমএলএসে সিনসিনাটি মিডফিল্ডার স্যামুয়েল গিদিকে ফাউল করায় হলুদ কার্ড দেখেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকা তাতে ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েন। তাছাড়া সেই ম্যাচে মেসি সিনসিনাটির ডিফেন্ডাররা একরকম বোতলবন্দী করে রেখেছে। ইন্টার মায়ামি-সিনসিনাটি ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হয়।
৩২ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকার তিনে মায়ামি। মেসির দল ১৭ ম্যাচ জিতেছে। ড্র করেছে পাঁচ ম্যাচ ও হেরেছে ১০ ম্যাচ। দুইয়ে থাকা নিউ ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৫৮। ৭১ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে ন্যাশভিল। প্রত্যেকেই ৩২টি করে ম্যাচ খেলেছে।