বার্সেলোনা ও চেলসির ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনার কমতি ছিল না ভক্তদের। কিন্তু মাঠে লড়াইয়ে সেটার ছাপ খুঁজে পাওয়া গেল না। চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচটিতে ব্লুজদের কাছে কোনোরকম পাত্তা পায়নি কাতালানরা। ৩-০ গোলে হেরেছে তারা। এরপরও ইনজুরি কাটিয়ে খেলোয়াড়েরা দলে ফেরায় খুশি বার্সার প্রধান কোচ হান্সি ফ্লিক।
গত কয়েক সপ্তাহে চোটের ধকল বেশ ভালোভাবেই টের পেয়েছে বার্সা। চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে যান রাফিনহা, মার্কাস রাশফোর্ডদের মতো প্রথম পছন্দের ফুটবলাররা। এ ছাড়া আরও কিছু ইনজুরি সমস্যা ছিল স্প্যানিশ জায়ান্ট শিবিরে। ইনজুরি কাটিয়ে খেলোয়াড়েরা ফেরায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে বার্সা। অনুশীলনে দারুণ সময় কাটছে ফ্লিকের। শিগগির মাঠে এর প্রভাব দেখার অপেক্ষায় তিনি।
চেলসির কাছে হারার পর ফ্লিক বলেন, ‘আমি খুশি যে রাফিনহা ফিরে এসেছে এবং মার্কাস র্যাশফোর্ড ভালো পর্যায়ে আছে। আমি সব সময় বলে এসেছি, আমি ইতিবাচকভাবে দেখতে পছন্দ করি। ছয় সপ্তাহ আগের তুলনায় আমাদের এই দলটি আলাদা। ইনজুরি কাটিয়ে খেলোয়াড়েরা ফিরে আসছে এবং প্রশিক্ষণের মান বৃদ্ধি করছে। আমি বর্তমান পরিস্থিতি অনুভব করছি এবং ইতিবাচক আছি।’
ফ্লিকের বিশ্বাস, সামনের দিনগুলোতে ভক্তদের প্রত্যাশা মেটাবে বার্সা, ‘ভবিষ্যতে আমরা আরও ভালো বার্সা দেখতে পাব। এখন আমি কেবল এমন প্রতিশ্রুতিই দিতে পারি। আমি জানি আমাদের দল প্রশিক্ষণে কেমন উন্নতি করছে।’
দলের হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ফ্লিক বলেন, ‘ম্যাচে আমাদের শুরুটা দারুণ ছিল। আমাদের সামনে গোল করার সুযোগ ছিল। কিন্তু লাল কার্ডের পরে সবকিছু বদলে গেল। ম্যাচে আমরা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কিছু বল হারিয়েছি। মূল বিষয় ছিল এটাই। আমাদের কিছু খেলোয়াড় অস্বাভাবিক ভুল করেছে। এরপরও আমি কিছু ইতিবাচক বিষয়ও দেখেছি। আমাদের অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।’
শিষ্যদের আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার তাগিদ দিলেন বার্সা কোচ, ‘চেলসি সব সময় ওয়ান টু ওয়ানে গতিশীল খেলে। আমি আমার দলের কাছ থেকে এটাই চাই। মাঝেমধ্যে আমরা খেলা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি। প্রিমিয়ার লিগের একটি শীর্ষ ক্লাবের বিপক্ষে এটা করলে টেকা যায় না। আমাদের আরও কিছুটা লড়াই করতে হবে এবং আরও আক্রমণাত্মক খেলতে হবে।’