২০১০ সালের পর আরও একবার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি স্পেনের সামনে। উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপের ফাইনালে দলটির প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া ম্যাচে রদ্রির দলকে সমর্থন জানাতে গ্যালারিতে থাকবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার।
স্পেন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিউজার্সিতে হতে যাওয়া ফাইনাল শেষে আলজেরিয়ায় সরকারি সফরে যাবেন সানচেজ। ফাইনালে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
স্পেনের রাজপ্রাসাদও নিশ্চিত করেছে, ফাইনাল দেখতে মাঠে থাকবেন রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে, রানি লেতিসিয়া এবং তাঁদের দুই কন্যা। তবে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেয়ি কুসংস্কারের কারণে ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না।
বিশ্বকাপ ফাইনালে সানচেজ ও ট্রাম্পের উপস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই দুই নেতার সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে স্পেনের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন সানচেজ। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের সমালোচনা করেন তিনি।
সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে পা রাখে স্পেন। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে আর্জেন্টিনা। এ পর্যন্ত ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে তারা। দুই দলই জিতেছে ছয়টি করে ম্যাচ। বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ ১৫তম সাক্ষাৎটি হতে যাচ্ছে যে কোনো এক দলের এগিয়ে যাওয়ার উপলক্ষ্য। সে লড়াইয়ে জয়ী দল জিতবে বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি।
সবশেষ ২০১৮ সালের ২৭ মার্চ মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও স্পেন। মাদ্রিদের মেট্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে হওয়া সে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ৬-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল স্বাগতিকেরা। সে বছর রাশিয়াতে হওয়া বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা।