হোম > খেলা > ক্রিকেট

দাপুটে জয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ঘুরে দাঁড়াল বিসিবি এইচপি

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিজেদের হারিয়ে খুঁজছিল বিসিবি হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) দল। ৭৭ রানের জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে একের পর এক ম্যাচ হেরে চলছিল বিসিবি এইচপি। অবশেষে আজ দাপুটে জয়ে ঘুরে দাঁড়াল আকবর আলীর নেতৃত্বাধীন দল।

মেলবোর্ন রেনেগেডসকে উড়িয়ে দেওয়ার পর তাসমানিয়া, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ হারে বিসিবি এইচপি। তাসমানিয়া ও অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স ৩ ও ৮ উইকেটে হারিয়েছে আকবর-তানজিদ হাসান তামিমদের। যার মধ্যে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল গতকাল ডারউইনের ম্যারারা ওভালে। সেই ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা পর আজ ডারউইনের টিআইও স্টেডিয়ামে এসিটি কোমেটকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি এইচপি।   

১২৫ রানের লক্ষ্যে নেমে বিসিবি এইচপির শুরুটা হয়েছে বিধ্বংসী। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও জিসান আলম যতটা না আক্রমণাত্মক, তাঁর চেয়ে বেশি এলোমেলো ছিল এসিটি কোমেটের বোলারদের লাইন লেংথ। অতিরিক্ত খাতে রান খরচ করতে থাকে এসিটি। প্রথম ৫ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫১ রান করেছে বিসিবি এইচপি। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে তানজিদ তামিমকে ফিরিয়েছেন জেক স্মিথ। ১৫ বলে ২ চারে ১৮ রান করেছেন তানজিদ তামিম। 

উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ব্যাটিংয়ে নামেন পারভেজ হোসেন ইমন। তিন নম্বরে নামা ইমন কিছুটা রয়েসয়ে খেলেও জিসান স্বভাবসুলভ খেলাটা চালিয়ে যান। দ্বিতীয় উইকেটে জিসান ও ইমন গড়েন ৪৪ রানের জুটি। ১২তম ওভারের তৃতীয় বলে ইমনকে ফেরান হ্যান্নো জ্যাকবস। ২৪ বলে ১ ছক্কায় ২৩ রান করেন ইমন। 

ইমন ফেরার পর দ্রুত বিদায় নিয়েছেন জিসানও। ৩৬ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রান করা জিসানকে ফিরিয়েছেন স্মিথ। বিসিবি এইচপির ওপেনার ফেরার পর হাতে তখনো ৭ উইকেট। শেষ ৬ ওভারে প্রয়োজন ১৯ রান। সেই সমীকরণ মিলিয়ে ১৬.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১২৫ রান করে বিসিবি এইচপি। ২০ বল হাতে রেখে এইচপির ৬ উইকেটের জয়ে জিসানের ব্যাট থেকেই আসে ইনিংস সর্বোচ্চ রান। 

এর আগে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরুর আভাস দিয়েছিল এসিটি কোমেট। ২.২ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২২ রান করে এসিটি। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে এসাম রহমানকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন রিপন মন্ডল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা এসিটি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করেছে এসিটি। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন মাইকি ম্যাকনামারা। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন রিপন। আবু হায়দার নিয়েছেন ২ উইকেট। দুজনেই খরচ করেছেন ২৬ রান এবং ৪ ওভারের বোলিং কোটা পূর্ণ করেন।

বড় নাম নয়, পারফর্মার খুঁজছে রাজশাহী

ভারতের কাছে জেতা ম্যাচ হেরে যাওয়ার ব্যাখ্যায় কী বললেন তামিম

বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ পরিবর্তনে রাজি ‘না’ আয়ারল্যান্ড

শেষের বিপর্যয়ে ভারতের কাছে আবারও বাংলাদেশের হতাশার হার

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ ছিল অনিচ্ছাকৃত

বিসিবি-আইসিসির সভায় সমাধান হয়নি, বাংলাদেশকে অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শুরু হলো কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট, ২৩২ বছরের রেকর্ড ভেঙে পাকিস্তান টিভির ইতিহাস

ঢাকাকে হারিয়ে প্লে অফে রংপুর

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও ‘নো হ্যান্ডশেক’