বাংলাদেশের জার্সিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২২-এর সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপে। ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে গত ১৬ মাস ধরে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একরকম ব্রাত্য তিনি। সেই মাহমুদউল্লাহকে ২০২৪ বিপিএলে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন রূপে।
এবারের বিপিএলে মাহমুদউল্লাহ খেলছেন ফরচুন বরিশালের হয়ে। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় সেরা দশেও তিনি নেই। পাঁচ ম্যাচে করেছেন ১০৪ রান। রানের চেয়েও বড় কথা, টুর্নামেন্টে তাঁর স্ট্রাইকরেট ১৬৫.০৭। পাঁচ থেকে সাত—এই তিন পজিশনে তিনি ব্যাটিং করেছেন। ৪ ও ৩ রানের এক অঙ্কের ইনিংস দুটি বাদ দিলে শেষের দিকে নেমে যতটুকু খেলেছেন, তাতেই তিনি পার্থক্য গড়ে দিতে পারছেন। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ২৪ বলে ৫১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচ-সেরা হয়েছেন। ১৭ ওভার শেষে বরিশাল যেখানে ছিল ৫ উইকেটে ১৩৪ রান, সেখানে তারা খেলা শেষ করেছে ৫ উইকেটে ১৮৬ রানে। সিলেটের অলরাউন্ডার বেনি হাওয়েলের মতে, ম্যাচের পার্থক্য তৈরি হয়েছে শেষের দিকেই। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হাওয়েল বলেন, ‘শেষ দিকে মনে হয় রান একটু বেশিই দিয়ে ফেলেছি এবং তারাও অনেক ভালো ব্যাটিং করেছে। রিয়াদ এখানে বিশেষজ্ঞ ব্যাটার। শেষ দিকে সে আমাদের অনেক ভুগিয়েছে।’
সিলেটের বোলাররা যেখানে গত রাতে মুক্ত হস্তে রান বিলিয়েছেন, সেখানে হাওয়েল বোলিং করেছেন দুর্দান্ত। ৪ ওভার বোলিং করে ২১ রান খরচ করে নিয়েছেন ৩ উইকেট। সৌম্য সরকার, আহমেদ শেহজাদ, মুশফিকুর রহিম—ফরচুন বরিশালের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছেন হাওয়েল, যার মধ্যে শেহজাদ ৪১ বলে ৬৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন। হাওয়েল বলেন, ‘যদি তাদের ১৬০-১৭০ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারতাম, তাহলে ব্যাপারটা ভালো হতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের বোলিং ঠিকমতো হয়নি। ভালো বোলিংয়ে আগে কিছু উইকেটও তুলেছি।’