হোম > খেলা > ক্রিকেট

আশা বাঁচিয়ে রাখতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ১০৭ রান

নিবু নিবু আশার প্রদীপটা জ্বালিয়ে রাখতে জিততেই হবে। নয়তো কাটতে হবে ঘরে ফেরার টিকিট। এমন সমীকরণকে সামনে রেখে নিউইয়র্কের সেই নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে কানাডার বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেছে পাকিস্তান। 

আগের ম্যাচে এখানেই বোলিং নৈপুণ্যের পরও লো-স্কোরিং রোমাঞ্চকর ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে হেরেছেন বাবর আজমরা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারেই শঙ্কায় পড়ে গেছে পাকিস্তানের সুপার এইটের স্বপ্ন। 

‘এ’ গ্রপে নিজেদের আগের ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে নকআউট পর্বের আশা বাঁচিয়ে রাখা কানাডা টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পড়ে বিপদে। দারুণ শুরুর আভাস দিয়ে প্রথম উইকেট হারায় দলীয় ২০ রানে। ওপেনার নভনীত ধালিওয়ালকে (৪) বোল্ড করেন মোহাম্মদ আমির। স্কোরবোর্ড আর ৯ রান জমা পড়তেই পরাগ সিংকে (২) ফেরান আরেক পেসার শাহিন আফ্রিদি। 

পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারানো কানাডা ৭৩ রান করতেই হারিয়ে ফেলে ৬ উইকেট। দলীয় ৪৩ রানে তৃতীয় উইকেট হিসেবে রানআউট হন নিকোলাস কির্টন (১)। এরপর পেসার হারিস রউফ ইনিংসের ১০ ওভারের তৃতীয় বলে সাজঘরে ফেরান উইকেটরক্ষক শ্রেয়াস মভওয়াকে (২)। এক বল পর ডাক উপহার দেন রবিন্দ্রারপাল সিংকে। 

কানাডার ব্যাটাররা একের পর এক একক ডিজিটে ফিরলেও দারুণ ব্যাটিংয়ে এক প্রান্ত আগলে রাখেন অ্যারন জনসন। নাসিম শাহর বলে ষষ্ঠ উইকেট হিসেবে বোল্ড হওয়া এই ডানহাতি ওপেনার করেন ৪৪ বলে ৫৪ রান। তাঁর ইনিংসে ছিল চার ৪ ও চার ৬। নিজের দ্বিতীয় উইকেট হিসেবে আমির তুলে নেন সাদ বিন জাফরকে। বিপর্যয়ের মুখে কানাডার অধিনয়াক ২১ বলে করেন ১০ রান।

শেষ পর্যন্ত কানাডা ৭ উইকেটে করেছে ১০৬ রান। অপরাজিত ছিলেন কলিম সানা (১৩) এবং ডিলন হেইলিগার (৯)। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন আমির ও রউফ।

বড় নাম নয়, পারফর্মার খুঁজছে রাজশাহী

ভারতের কাছে জেতা ম্যাচ হেরে যাওয়ার ব্যাখ্যায় কী বললেন তামিম

বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ পরিবর্তনে রাজি ‘না’ আয়ারল্যান্ড

শেষের বিপর্যয়ে ভারতের কাছে আবারও বাংলাদেশের হতাশার হার

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ ছিল অনিচ্ছাকৃত

বিসিবি-আইসিসির সভায় সমাধান হয়নি, বাংলাদেশকে অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শুরু হলো কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট, ২৩২ বছরের রেকর্ড ভেঙে পাকিস্তান টিভির ইতিহাস

ঢাকাকে হারিয়ে প্লে অফে রংপুর

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও ‘নো হ্যান্ডশেক’