বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড-বিশ্বকাপের আগে দুটো দলের অবস্থা ছিল ভিন্ন রকম। ওয়ানডেতে দারুণ ছন্দে থেকে বিশ্বকাপ খেলতে আসে ইংল্যান্ড। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং সব দিক দিয়েই বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে এসেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ তাদের পছন্দের ওয়ানডে সংস্করণে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছিল। এশিয়া কাপের ফাইনালে তো উঠতে পারেনি, ঘরের মাঠে বাংলাদেশ হেরেছে তিনটি ওয়ানডে সিরিজ।
অন্যদিকে বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে প্রেক্ষাপটটা একটু ভিন্ন। ২০০৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিশ্বকাপে চার ম্যাচের মুখোমুখি লড়াইয়ে দুটি করে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড। যেখানে ২০১১ তে চট্টগ্রামে ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আর ২০১৫ তে ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। বাটলারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে বাংলাদেশকে তিনি হুমকি মনে করছেন কি না। সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ড অধিনায়ক তখন বলেন, ‘না, একেবারেই না। বাংলাদেশের বিপক্ষে আমাদের অনেক দারুণ ম্যাচ রয়েছে। যাদের বিপক্ষে আমরা খেলি, তাদের আমরা শ্রদ্ধা করি। বিশ্বকাপে আপনি সত্যিই কঠিন প্রতিপক্ষ আশা করবেন।’
গত পরশু ধর্মশালায় আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ। আফগানদের দেওয়া ১৫৭ রানের লক্ষ্য ৯২ বল হাতে রেখে জিতে যাওয়ায় সাকিব আল হাসানের দলের নেট রানরেট: +১.৪৩৮। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটে হেরে বিধ্বস্ত হয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে ইংল্যান্ড। ২৮৩ রানের লক্ষ্য ৮২ বল হাতে রেখে নিউজিল্যান্ড জেতায় ইংল্যান্ডের নেট রানরেট-২.১৪৯। দুটো দল একে অপরের মুখোমুখি হবে ভিন্ন দুই পরিস্থিতিতে থেকে। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে আশাবাদী বাটলার, ‘দুটো দলই মাত্র একটা ম্যাচ খেলেছে। দল হিসেবে আমরা খুবই আশাবাদী। আমরা জানি গত ম্যাচের চেয়ে এই ম্যাচে (আগামীকাল) ভালো খেলতে পারি। আগামীকাল ভালো খেলতে মুখিয়ে আছি।’