টি-টোয়েন্টিতে ডট খেলাটা অনেকটা অপরাধের শামিল। বাংলাদেশের অপরাধের পাল্লাটা অবশ্য বেশ ভারী বলা যায়। আজ যা হলো তা ছাপিয়ে গেল আগের সবকিছুকেই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপের ম্যাচে ১৩ বল পর্যন্ত কোনো রানই তুলতে পারেনি লিটন দাসের দল। উল্টো হারাতে হয়েছে দুই উইকেট।
প্রথম দুই ওভারে কোনো রান না করতে পারার এমন ঘটনা ঘটেছে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ঘটেছে ৭ বার। তবে আইসিসির পূর্ণ দুই সদস্যের মধ্যকার ম্যাচে এমনটা হলো দ্বিতীয়বার। তাও ১৫ বছর পর।
২০১০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ত্রিনিদাদে ঠিক এভাবেই প্রথম দুই ওভারে কোনো রান করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটায় আরব আমিরাত।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এবারই প্রথম শূন্য রানে ২ উইকেট হারাল বাংলাদেশ। দুটি উইকেটেরই দুজনই ওপেনার। শ্রীলঙ্কা এই স্বাদ অবশ্য পেয়েছে ১১ বছর পর। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও ২০১২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো রান হজম করার আগেই দুই উইকেট তুলে নেয় তারা।
আবুধাবি শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের লড়াইয়ে টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কা। লিটনও তা সাদরে গ্রহণ করে নেন। কিন্তু ওপেনাররা ঠিক মতো নিতে পারেননি যে। বাংলাদেশের জন্য বরাবরই আতঙ্কের নাম নুয়ান থুশারা। প্রথম ওভারের শেষ বলে ইনসুইং ডেলিভারিতে তানজিদ হাসান তামিমের স্টাম্প উপড়ে ফেলেন তিনি। তাঁর দেখাদেখি উইকেট মেডেন নেন দুশমন্থ চামিরাও। সাজঘরে ফেরান পারভেজ হোসেন ইমনকে।
বাংলাদেশের দুই ওপেনারকে তাই কাটা পড়তে হয় শূন্য রানেই। আগের ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে ৩৫ রানের প্রশ্নবিদ্ধ ইনিংস খেলা তাওহীদ হৃদয়ও ছন্দে খুঁজে পাননি। রান আউট হওয়ার আগে ৯ বলে করেন ৮ রান। ষষ্ঠ ওভারে দাসুন শানাকাকে ৩ চার মেরে রানের গতিতে কিছুটা বাড়ান লিটন দাস।