বিসিবির প্রধান নির্বাচক হিসেবে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর লম্বা সময় আর থাকতে চাচ্ছেন না তিনি। বিসিবিও যদি চুক্তি বাড়াতে চায়, তাহলে বড়জোর এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্তই থাকতে চান। এমনটাই জানিয়েছেন আজকের পত্রিকাকে।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেন লিপু। দুই বছরে দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ও এশিয়া কাপের মতো বড় ইভেন্টের জন্য দল সাজিয়েছেন তিনি।
আজকের পত্রিকাকে আজ লিপু বলেন, ‘আমি আমার অবস্থানের কথা জানিয়েছি। এখন বোর্ড তাদের সিদ্ধান্ত নেবে, কারণ তাদের পরিকল্পনায় আমি নাও থাকতে পারি। তবে আমার পক্ষ থেকে এটা জানানো প্রয়োজন,আমাকে আরেকটি দুই বছরের চুক্তির জন্য আর পাওয়া যাব না।’
কেন পাওয়া যাবে না সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন লিপু, ‘২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে আমার ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক কিছু প্রতিশ্রুতি বা কাজ রয়েছে। তাই আমি উল্লেখ করেছি যে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আমি থাকতে পারব। তবে এর মধ্যেও আমি ৫-৬ সপ্তাহ দেশের বাইরে থাকব। আমার এই সূচি জানার পর তারা যদি বিশেষ বিবেচনায় আলোচনা করতে চায়, করতে পারে। অন্যথায়, আমি ২৮ ফেব্রুয়ারি বিদায় নিতে প্রস্তুত।’
লিপুর চিঠির প্রেক্ষিতে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিসিবি। তবে তারা দীর্ঘমেয়াদে কাউকে নেওয়ার কথাই চিন্তা করছে। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম বলেন, ‘হ্যাঁ, নতুন কেউ আসলে দীর্ঘমেয়াদের জন্যই আসবে। এই পদটি টি তো স্বল্প সময়ের জন্য নয়। কারণ সামনে প্রতি বছরই আইসিসির বড় বড় ইভেন্ট রয়েছে—বিশেষ করে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।’