সংগ্রহ ১২৭। টি-টোয়েন্টিতে এই রান দিয়ে প্রতিপক্ষকে ম্যাচ হারানো বেশ কঠিন এক কাজ। ফিল্ডিংয়ে নামার আগে দলকে চাঙা করতে তাই দলের সেরা অস্ত্রকেই ব্যবহার করলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাকিব আল হাসানকে দিয়ে অনুপ্রেরণা দেওয়ালেন পুরো দলকে।
তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫৩ বলে ৫২ রান করে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জিতিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশের করা ১২৭ রানও টপকাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ১০ রানে ম্যাচ জিতে দুই ম্যাচ আগেই সিরিজও পকেটে পুরেছে বাংলাদেশ।
১২৭ রান করেও ম্যাচ জয়! টি-টোয়েন্টিতে এর আগে প্রতিপক্ষকে এত কম রানের লক্ষ্য দিয়ে ম্যাচ জেতেনি বাংলাদেশ। যদিও সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ১৩১ রান করেও ২৩ রানের জয় দিয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহরা। তবু আজকের ম্যাচে সংগ্রহের সংখ্যাটা যেহেতু কম, খানিকটা চাপ তো ছিলই।
সেই চাপ তাড়াতে সাকিবকে দলের সামনে বাড়িয়ে দিলেন মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন, ‘যখন আমরা মাঠে যাচ্ছিলাম, আমি চেয়েছিলাম সাকিব দলের সঙ্গে কথা বলুক। সে বলেছে, যাই হোক না কে আমাদেরকে দ্রুত উইকেট নিতে হবে।’
মাহমুদউল্লাহ ম্যাচসেরা হলেও পরিসংখ্যান বলবে ম্যাচে বাংলাদেশের আসল নায়ক মোস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচে ফিরতে দেননি কাটার মাস্টার। নায়ককে তাই প্রাপ্য মর্যাদাই দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘অস্ট্রেলিয়া ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু আমাদের বোলাররাও নিজেদের কাজটা দারুণভাবে করেছে। কাটার ও স্লোয়ারগুলোও ছিল দুর্দান্ত।। মোস্তাফিজ আবারও দারুণ ভূমিকা রেখেছে। আজ রাতেও সে দুর্দান্ত ছিল।’
আনন্দের সঙ্গে খানিকটা হতাশাও যেন ছিল মাহমুদউল্লাহর কন্ঠে। টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে আফগানিস্তানেরও নিচে বাংলাদেশ। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মূলপর্বে খেলতে হলে আগে বাছাইপর্ব খেলে আসতে হবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলকে। বাংলাদেশ যে বাছাইপর্ব খেলার দল নয় সেটাই বললেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘আমাদের মনে হচ্ছে আমরা একটা ভালো দল হয়ে উঠেছি, যদিও র্যাঙ্কিং সেটা দেখাচ্ছে না। কিন্তু এবার সত্যি দলে একটা ভারসাম্য এসেছে।’