ইনিংসের প্রথম বলেই মিলল উইকেট। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সেদিকউল্লাহ আতালকে। পাওয়ারপ্লের ভেতর চতুর্থ ওভারে ইব্রাহিম জাদরানকেও তুলে নেন নাসুম আহমেদ। তাঁর টাইট বোলিংয়ে ভর করে ১৫৫ রানের পুঁজি নিয়েও আফগানিস্তানকে ৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বাঁচিয়ে রেখেছে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে খেলার আশা।
প্রথম দুই ম্যাচে একাদশে সুযোগ পাননি নাসুম। বাঁহাতি স্পিনের বিপক্ষে আফগান ব্যাটাররা দূর্বল থাকায় তাঁর একাদশে ফেরাটা অনুমিত ছিল। আর ফিরেই হলেন ম্যাচসেরা। ৪ ওভারে ১ মেইডেনসহ ১১ রান খরচে ২ উইকেট নেন তিনি।
এমন নাসুম আহমেদের এনে দেওয়া ব্রেকথ্রুর পর চাপে পড়ে যায় আফগানরা। পাওয়ারপ্লের ভেতর ইব্রাহিম জাদরানকে তুলে নিয়ে কাজটা আরও সহজ করে দেন তিনি। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে গরমের কারণে ঘামাচ্ছিলেন খুব।
এমন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সফল হওয়ার মন্ত্র জানালেন নাসুম, ‘আমি সবসময় নতুন বলে বোলিং করতে ভালোবাসি, আর এটাই অধিনায়ক আমাকে করতে বলেছেন। আমি সেই চ্যালেঞ্জটা উপভোগ করি। আজ ঘাম প্রচুর ছিল, তাই বল গ্রিপ করাটা চ্যালেঞ্জের ছিল, তবে আমি এমন চ্যালেঞ্জ উপভোগ করি। চেষ্টা করেছি স্টাম্প টু স্টাম্প বল রাখার।’
এশিয়া কাপে যাওয়ার আগে আলোচনায় এসেছিল নাসুমের ব্যক্তিগত জীবন। দুয়োধ্বনিও শুনতে হয়েছে তাঁকে। সবকিছু পাশ কাটিয়ে এভাবে পারফর্ম করাটা নিশ্চয়ই সহজ ছিল না। কিন্তু নাসুম আর তা বুঝতে দিলেন কই!