জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার পরই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় অস্ট্রেলিয়ার। ওমানের বিপক্ষে ৯ উইকেটে জয়ের ম্যাচটি কেবলই আনুষ্ঠানিকতা ছিল তাদের জন্য। দাপুটে জয়ের পরও তাই দেশে ফিরতে হচ্ছে ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়নদের। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে দেশে ফিরতে মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না দলটির স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা।
নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ওমানকে হারানোর কারিগর জাম্পা। এশিয়ান দলটিকে ১০৪ রানে অলআউট করার পথে ৪ উইকেট নেন এই লেগস্পিনার। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তাঁর হাতে। দল বিদায় নেওয়ায় সেটা এখন বাজে অনুভূতি হয়ে থাকল জাম্পার কাছে।
ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে জাম্পা বলেন, ‘একদম শূন্য লাগছে (বিশ্বকাপ থেকে এভাবে বিদায় নেওয়ায়)। খুব সম্ভবত চার উইকেট পাওয়ার পর এটাই আমার সবচেয়ে বাজে অনুভূতি। এখন আমাদের দেশে ফিরতে হবে। তবে এরকম কিছু আমাদের ভাবনাতেও ছিল না। কেমন লাগছে সেটা বলে বোঝাতে পারব না।’
আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে যায় তারা। আয়ারল্যান্ড-জিম্বাবুয়ের ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় সুপার এইটে ওঠার সব সমীকরণ শেষ হয়ে যায় অজিদের। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের হতাশা কোনোভাবেই দূর করতে পারছেন না জাম্পা।
জাম্পা বলেন, ‘এই তিন বিশ্বকাপ আমাদের কেমন গেল, তিন দিন ধরে সেটাই ভাবছি। বিশেষ করে, বিশ্বকাপগুলোর মাঝের সময়টায় আমরা যেমন খেলেছি। সম্ভবত র্যাঙ্কিংয়ে আমরা দুই বা তিন নম্বরে আছি; ভারতের পরই। দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলোতে বরাবরই আমরা ভারতকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছি। কখনো তারা আমাদের হারায়, কখনো আমরা তাদের। সেখানে একটি ভালো দল হিসেবে এমন ফলাফল মেনে নেওয়ার মতো না।’
সবশেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ব্যর্থতা নিয়ে জাম্পা আরও বলেন, ‘বড় টুর্নামেন্টে ভালো দল হিসেবে আমাদের একটা পরিচিতি আছে। তবে ২০২১ সালে বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে আমাদের ফলাফল হতাশাজনক। বিশেষ করে ২০২২ ও ২০২৪ সালে, ওই দুটি দলের আরেকটু এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল এবং শিরোপা জয়ের কাছাকাছি যাওয়া উচিত ছিল। এই টুর্নামেন্টগুলোর শেষে গিয়ে কী হয়, কেউ জানে না। গত দুটি বিশ্বকাপে আমাদের ফলাফল ছিল হতাশাজনক।’