জিততে হলে ২০২ রান করতে হবে বাংলাদেশকে। গতকাল লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২০১ রান তোলে পাকিস্তান। লাহোরের এই মাঠে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটাই পাকিস্তানের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।
ইনিংসের তৃতীয় বলেই চমক দেখিয়েছিলেন মেহেদী হাসান। রানের খাতা খোলার আগেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ওপেনার সিয়াম আইয়ুবকে। স্কোরবোর্ডে পাকিস্তানের রান তখন ১। দ্বিতীয় ওভারেই আবার আরেক ফখর জামানকে (১) ফিরিয়ে দিলেন শরীফুল ইসলাম। ৫ রানেই ২ উইকেট নেই পাকিস্তানের। আরব আমিরাতের কাছে সিরিজ হারা বাংলাদেশের জন্য শুরুটা এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারত!
শুরুর এই জোড়া ধাক্কার পর মোহাম্মদ হারিস ও অধিনায়ক সালমান আগার ৪৮ রানের জুটি। তবে তাঁরা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই হারিসকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন তানজিদ হাসান সাকিব। তাঁকে তুলে মারতে গিয়ে লং অনে তানজিদ তামিমের ক্যাচ হয়ে হারিস ফিরেছেন ৩১ রান করে।
৪৮ রানে ৩ উইকেটে হারালেও পাকিস্তানি ব্যাটাররা সব সময় রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করে গেছেন। তানজিম সাকিবের টানা তিন বলে ৬, ৪ ও ৪ মেরে ২৯ বলে ফিফটি করেন সালমান। আউট হওয়ার আগে ৩৪ বলে ৫৬। অধিনায়ক ফিফটি করলেও ফিফটির কাছাকাছি গিয়ে আউট হয়েছেন পিএসএলে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা হাসান নওয়াজ। ২টি চার ও ৪টি ছয়ে ২২ বলে ২০০.০০ স্ট্রাইকরেটে ৪৪ রান করে রিশাদ হোসেনের প্রথম শিকার হয়েছেন তিনি।
প্রথম ১০ ওভারে ৯৭ রান তোলে পাকিস্তান। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে তারা তুলেছে ২০১ রান। শেষ দিকে শাদাব খান ২৫ বলে ৪৮ ফাহিম আশরাফ ৬ বলে ১১ রান করলে ২০০ ছাড়িয়ে যায় পাকিস্তানের রান।
বল হাতে সবচেয়ে সফল শরীফুল ইসলাম। ৩২ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান, হাসান মাহমুদ, তানজিম সাকিব, রিশাদ হোসেন ও শামীম পাটোয়ারী।