মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে তোপের মুখে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। আইপিএল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁর (মোস্তাফিজ) নাম ছাঁটাইয়ের পর বিসিসিআইকে যে যেভাবে পারছেন, ধুয়ে দিচ্ছেন। মাশরাফি বিন মর্তুজার যে ‘চিহ্ন’টুকু আইপিএলে রয়েছে, সেটাও বেশি দিন টিকবে বলে মনে করছেন না পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার জুনায়েদ খান।
আইপিএল ইতিহাসে একমাত্র ম্যাচ মাশরাফি খেলেছেন ২০০৯ সালে। তবে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই অধিনায়কের নাম আইপিএলের সঙ্গে জড়িয়ে এক ম্যাচ খেলার কারণে নয়। আইপিএলের লোগো যে ব্যাটারের শট দেখানো হয়েছে, সেটা তাঁর শটের অনুকরণে করা হয়েছে বলে বছরের পর বছর ধরে আলোচনা চলছে। জুনায়েদ গতকাল নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসারের ভিডিওতে আকাশ চোপড়াকে বলতে শোনা গেছে, ‘আপনাদের জন্য একটা কুইজ রয়েছে। বলুন তো আইপিএলের লোগো কার শটের অনুকরণে করা? অনেকে এবি ডি ভিলিয়ার্সের নাম বলবেন। আসলে তা নয়। মাশরাফি বিন মর্তুজার শটের অনুকরণে আইপিএলের লোগোটা করা হয়েছে।’
ভিডিও প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জুনায়েদ আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ইস্যুটা সামনে নিয়ে এসেছেন। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে জুনায়েদ লিখেছেন, ‘আমার ধারণা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এই লোগো (আইপিএলের লোগো) সরিয়ে ফেলবে যেভাবে মোস্তাফিজকে তারা সরিয়ে ফেলেছে। মাশরাফি মর্তুজার শট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লোগোটি তারা বানিয়েছিল।’ আইপিএল ইতিহাসে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছিলেন মোস্তাফিজ। ১৬ ডিসেম্বর নিলাম থেকে তাঁকে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে বাংলাদেশ-ভারত শীতল রাজনৈতিক সম্পর্কের বলি হলেন মোস্তাফিজ।
যে কলকাতা মোস্তাফিজকে নিলাম থেকে কেনার ২০ দিনের মাথায় ছেঁটে ফেলেছে, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েই ২০০৯ সালে মাশরাফি খেলেছিলেন। জোহানেসবার্গে ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৫৮ রান খরচ করেও কোনো উইকেট পাননি মাশরাফি। কলকাতার হয়ে সাকিব আল হাসান, লিটন দাসও খেলেছিলেন। আর মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর কলকাতার ফেসবুক পেজে দেখা যাচ্ছে একের পর এক ‘অ্যাংরি রিঅ্যাকশন’। পাশাপাশি নেতিবাচক মন্তব্য তো রয়েছেই। ২৬ মার্চ শুরু হবে ১৯তম আইপিএল। একই দিনে মাঠে গড়াবে ১১তম পিএসএল।