একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা পাকিস্তান বাংলাদেশে পূর্ণশক্তি নিয়ে আসবে কি না সংশয় ছিল। সে পথে হাঁটেনি তারা।
তারকা অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ ও ব্যাটিং পরামর্শক ম্যাথু হেইডেন ছাড়া বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সবাই আসছেন।
এবারের বাংলাদেশ সফরে তিনটি টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলবে পাকিস্তান। ২০ ওভারের সিরিজটি আগে হওয়ায় আপাতত সেটিরই দল দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ১৮ সদস্যের দলটিকে যথারীতি নেতৃত্ব দেবেন বাবর আজম। অন্তর্বর্তীকালীন হেড কোচ হিসেবে থাকছেন সাকলাইন মুশতাক।
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড থাকা হাফিজ আগেই বাংলাদেশ সফর থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তরুণদের সুযোগ করে দিতেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। তবে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের বাকি সবাই আছেন। তাঁদের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে ইফতিখার আহমেদ, হায়দার আলী, খুশদিল শাহ, শাহনওয়াজ দাহানিকে।
১৯ নভেম্বর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে প্রথম টি-টোয়েন্টি। একই মাঠে ২০ নভেম্বর দ্বিতীয় ও ২২ নভেম্বর হবে শেষ ম্যাচ।
টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে স্বাগতিকদের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে বাবর আজমের দল। ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামে প্রথম ও ৪ ডিসেম্বর মিরপুরে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।
পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড
বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), আসিফ আলী, ফখর জামান, হায়দার আলী, হাসান আলী, হারিস রউফ, ইফতিখার আহমেদ, খুশদিল শাহ, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সরফরাজ আহমেদ (উইকেটরক্ষক), শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাহনওয়াজ দাহানি, শোয়েব মালিক ও উসমান কাদির।