ওপেনিং জুটি বড় না হওয়ার দুশ্চিন্তা পুরো বছরই লেগে আছে। টপ অর্ডারে নাজমুল হোসেন শান্ত বছরের বেশির ভাগ সময় উজ্জ্বল থাকলেও শেষ দিকে এসে খেই হারিয়েছেন। জুলাইয়ে আফগানিস্তান সিরিজের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের ছিল সেরা মিডল অর্ডার। কিন্তু মুশফিকুর রহিম-তাওহীদ হৃদয়দের টানা ব্যর্থতায় নড়বড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার।
ফলে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষে টানা দুই ওয়ানডে হেরে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের মাঠে ১৮টি ওয়ানডে খেলে কখনো জিততে পারেনি তারা। অধিনায়ক শান্ত অবশ্য জানিয়েছিলেন, সেই রীতি ভাঙতে চান তিনি। কাল সেই সুযোগ আরও একবার পাবেন শান্ত।
ধবলধোলাইয়ের শঙ্কা নিয়ে ভোরে স্বস্তির জয় খুঁজতে ম্যাকলিন পার্কে শেষ ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ । টেস্ট সংস্করণে শান্তর অধিনায়কত্বের অভিষেক হয়েছিল কিউইদের বিপক্ষে দারুণ এক জয়ে। ওয়ানডে সংস্করণে ব্যাপারটি ঠিক বিপরীত, ৫ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় এখনো অধরা।
শেষ ম্যাচ জিততে পারলে দলের ইতিহাসের সঙ্গে শান্তও হয়ে যাবেন প্রথম অধিনায়ক, যাঁর নেতৃত্ব নিউজিল্যান্ডের মাঠে ওয়ানডে ম্যাচে প্রথম জয় পাওয়া হবে বাংলাদেশের। শান্তর বিশ্বাস, সেই জয় পাবেন তাঁরা। আজ সংবাদমাধ্যমকে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি প্রতিটি ম্যাচ একটা সুযোগ হিসেবে দেখি। আরেকটা সুযোগ আগামীকাল। আমি এখনো বিশ্বাস করি, অতীতে যা হয়েছে, এবার সেই জিনিসটা হবে না। আমার এখনো বিশ্বাস আছে, ওই দলকে আমরা হারাতে পারি, ওই সামর্থ্য আমাদের আছে।’
দুই ম্যাচেই কন্ডিশন অনুযায়ী বাংলাদেশের ব্যাটাররা রান করতে পারেননি। এক সৌম্য সরকার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে করেছেন ১৬৯ রান। তাঁকে ভালো সঙ্গ দিতে পারেননি সতীর্থরা। তাই শান্ত মনে করছেন, জিততে হলে দলগত পারফরম্যান্স প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা যদি আলাদা আলাদা এক-দুইটা পারফরম্যান্স না করে যদি দল হিসেবে পারফরম্যান্স করতে পারি, তাহলে যে ছোট ছোট ভুল গত দুই ম্যাচে হয়েছে, সেগুলো শুধরে আমরা ম্যাচটা জিততে পারব।’