প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলতে এসে খুবই বাজে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। টানা ৬ হারে খাদের কিনারার পৌঁছে যায় তারা। অবশেষে বিপিএলে প্রথম জয়ের দেখা পেল নোয়াখালী। আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে ৯ রানে হারিয়েছে হায়দার আলীর দল।
নোয়াখালীর প্রথম ৬ ম্যাচ হারের জন্য সবচেয়ে বেশি দায় ব্যাটারদের। প্রায় প্রতি ম্যাচেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ব্যাটাররা। আজও স্কোরবোর্ডে বড় পুঁজি দাঁড় করাতে পারেনি দলটি। আগে ব্যাট করে ১ বল বাকি থাকতেই ১৪৮ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। এই পুঁজি নিয়েও বোলারদের কল্যাণে জয় তুলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। হাসান মাহমুদ, জহির খানদের দারুণ বোলিংয়ে ১৩৯ রানে থেমেছে রংপুর।
রংপুরকে কক্ষপথেই রেখেছিলেন ইফতেখার আহমেদ। ৩৭ রান করা এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার থামলে তাদের জয়ের সমীকরণ কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর সমীকরণ মেলাতে পারেনি একবারের চ্যাম্পিয়নরা। খুশদিল শাহর ১৬ বলে ২৪ রানের ইনিংস কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। তাওহীদ হৃদয় ২৯ রান করলেও তাঁর ২৮ বলের ইনিংস দলের হার ঠেকাতে পারেনি। এছাড়া লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান। নোয়াখালীর হয়ে ৪ উইকেট নেন হাসান। ৪ ওভারে ২৬ রান দেন এই পেসার। ২৫ রানে ২ ব্যাটারকে ফেরান জহির। বল হাতে সবচেয়ে বেশি হিসেবি ছিলেন মোহাম্মদ নবী। ৪ ওভারে ১৬ রান দেন তিনি। তুলে নেন ১ উইকেট।
এর আগে নোয়াখালীর হয়ে ১০২ স্ট্রাইকরেটে ৩৮ রান করেন জাকের আলী। সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ছিলেন হাবিবুর রহমান সোহান। ১৬ বলে ৩০ রান এনে দেন এই ব্যাটার। এছাড়া সৌম্য সরকার ৩১ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন করেন ২৮ রান। রংপুরের হয়ে হ্যাটট্রিক করেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। ৪৩ রানে এই পেসারের শিকার ৩ উইকেট। সমান উইকেট নিতে ১৮ রান দেন মোস্তাফিজুর রহমান।
জিতেও স্বস্তিতে থাকতে পারছে না নোয়াখালী। সবার আগে বাদ পড়ার শঙ্কায় আছে তারা। প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রাখতে চাইলে বাকি ৩ ম্যাচে জিততেই হবে নোয়াখালীকে। সেই সঙ্গে তাকিয়ে থাকতে হবে বাকি দলগুলোর দিকে। ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানীতে অবস্থান করছে নোয়াখালী। ১০ পয়েন্ট পাওয়া চট্টগ্রাম রয়্যালস আছে শীর্ষে।