২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছুঁতে ছুঁতেও ছোঁয়া হলো না দক্ষিণ আফ্রিকার। বার্বাডোজে দুই বছর আগে সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে এইডেন মার্করাম, কুইন্টন ডি কক, ডেভিড মিলারদের ক্রন্দনরত চেহারা এখনো ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখে ভাসে। সেই ক্ষতে প্রলেপ লাগাতে প্রোটিয়ারা এবার নেমেছে আটঘাট বেঁধেই।
বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের প্রস্তুতিটা সেরে নিচ্ছে দারুণভাবেই। এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে প্রোটিয়ারা। গত রাতে সেঞ্চুরিয়নে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে উইন্ডিজের দেওয়া ২২২ রানের লক্ষ্য ১৫ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতেছে প্রোটিয়ারা। টি-টোয়েন্টিতে এ নিয়ে ছয়বার ২০০ বা তার বেশি রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি গড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা। যার মধ্যে তিনটিই তারা করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ভারতের বিপক্ষে দুইবার ২০০ বা তার বেশি রান করেছে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাকিস্তানের বিপক্ষে একবার এই কীর্তি গড়েছে প্রোটিয়ারা।
টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০ বা তার বেশি রান করে জয়ের ছয়টির চারটিই গড়েছে নিজেদের মাঠে। নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৫৯ রান তাড়া করে প্রোটিয়ারা রেকর্ড জয় ২০২৩ সালে পেয়েছে সেঞ্চুরিয়নেই। এই সেঞ্চুরিয়নে ২০২৪ সালে পাকিস্তানের দেওয়া ২০৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৭ উইকেটে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জোহানেসবার্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ২০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৮ উইকেটে জিতেছিল প্রোটিয়ারা। ভারতের বিপক্ষে তাদের মাঠেই দুই বার ২০০ বা তার বেশি রান করে জেতার কীর্তি রয়েছে প্রোটিয়াদের।
সেঞ্চুরিয়নে গত রাতে টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে করে ২২১ রান। জবাবে ১৭.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ২২৫ রান করে ফেলে প্রোটিয়ারা। কুইন্টন ডি কক ৪৯ বলে ৬ চার ও ১০ ছক্কায় ১১৫ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন। এই সেঞ্চুরি করে দক্ষিণ আফ্রিকার তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুটি সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন ডি কক। তাঁর আগে এই কীর্তি গড়েন ডেভিড মিলার ও রিলি রুশো। একটি করে সেঞ্চুরি করেছেন ফাফ ডু প্লেসি, রিচার্ড লেভি, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, রিজা হেনড্রিকস ও রিচার্ড লেভি।
টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার রান তাড়া করে জয়
স্কোর প্রতিপক্ষ সাল ভেন্যু
২৫৯/৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০২৩ সেঞ্চুরিয়ন
২২৫/৩ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০২৬ সেঞ্চুরিয়ন
২১২/৩ ভারত ২০২২ দিল্লি
২১০/৩ পাকিস্তান ২০২৪ সেঞ্চুরিয়ন
২০৮/২ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০৭ জোহানেসবার্গ
২০০/৩ ভারত ২০১৫ ধর্মশালা