মিরপুরে পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার গতির কাছে নাকাল হয়েছে বাংলাদেশরে টপ অর্ডার। শেষ পর্যন্ত সাকিব আল হাসানের ব্যাটে ভর করে অতিথিদের ১৩২ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে মাহমুদউল্লাহর দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ করেছে ৭ উইকেট ১৩১ রান।
জিম্বাবুয়ে থেকে দারুণ একটা সিরিজ কাটিয়ে আসা সৌম্য সরকার-নাঈম শেখদের চ্যালেঞ্জটা ছিল ধারাবাহিকতা ধরে রাখার। নাঈম কিছুটা চেষ্টা করলেও, সৌম্য পুরোপুরিই ব্যর্থ। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে মিচেল স্টার্ককে ছক্কা মেরে শুরু করেন ওপেনার নাঈম শেখ। ছক্কার আগে পরে ওই ওভারের পাঁচ বলই ডট দিয়েছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। একপাশে আরেক ওপেনার সৌম্য হাঁসফাঁস করেছেন রান করতে।
তৃতীয় ওভারেই লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পাকে আক্রমণে নিয়ে আসেন ম্যাথু ওয়েড। এক চারে প্রথম ওভারে ছয় রান দেন জাম্পা। চর্তুথ ওভারেই ফেরেন সৌম্য। জশ হ্যাজেলউডকে কাট করতে গিয়ে ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বোল্ড হন সৌম্য (২)। পাওয়ার প্লেতে ৩১ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারে উইকেটের দেখা না পেলেও নিজের দ্বিতীয় ওভারে নাঈমকে ফেরান জাম্পা। জাম্পাকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ২৯ বলে ৩০ করে ড্রেসিংরুমে ফেরেন নাঈম।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ভালো যায়নি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। তিন ম্যাচে করেছিলেন মোটে ৫৩ রান। এদিনও বেশি দূর আগাতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। ২০ বলে ২০ আউট হয়েছেন জশ হ্যাজলউডের বলে ক্যাচ আউট হয়ে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দারুণ খেলা নুরুল হাসান সোহান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ধারাটা ধরে রাখতে পারেননি। অ্যান্ড্রু টাইয়ের বলে ওয়াইডের অনেক বাইরের বল খেলতে গিয়ে আউট হন ৩ রানে।
সাকিব আল হাসান একপ্রান্তে রান তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান। সাকিব থামেন হ্যাজালউডের বলে। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে বোল্ড হন সাকিব। দলের রান তখন ৫ উইকেট হারিয়ে ১০৪। শামীম পাটোয়ারিও কিছু করতে পারেননি। ৪ রান করে স্টার্কের বলে বোল্ড হন তিনি। আফিফ হোসেনের ১৭ বলে ২৩ রান করে ইনিংসের শেষ বলে আউট হলে ৭ উইকেট ১৩১ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। হ্যাজালউড ৩ টি, স্টার্ক ২টি এবং জাম্পা ও টাই ১টি করে উইকেট নেন।