রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের দিনে বল হাতে বেশ খরুচে ছিলেন কাইল জেমিসন। ৪৮ রানে ১ উইকেট নেন নিউজিল্যান্ডের এই পেসার। এদিন আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাঁকে শাস্তি দিয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) কর্তৃপক্ষ।
জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে রাজস্থানের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারটি করতে আসেন জেমিসন। তাঁর করা চতুর্থ ডেলিভারিতে বাউন্ডারি মারেন বৈভব সূর্যবংশী। পরের বলেই ভারতীয় কিশোর ব্যাটারকে বোল্ড করেন জেমিসন। উইকেট পেয়ে উদযাপনে মাত্রা ছাড়িয়ে যান এই বোলার। সূর্যবংশীর দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান এবং প্যাভিলিয়নে যাওয়ার ইঙ্গিত করেন; যা আইপিএলের নিয়ম বহির্ভূত।
সূর্যবংশীর প্রতি জেমিসনের এই আচরণ সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে আইপিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোড অব কন্ডাক্টের ২.৫ ধারা লঙ্ঘন করেছেন নিউজিল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার। এই ধারায় এমন ভাষা বা আচরণ নিষিদ্ধ, যা প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে উসকে দিতে পারে বা অসম্মানজনক। শাস্তিস্বরূপ, একটি ডিমেরিট পয়েন্টের পাশাপাশি জেমিসনকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
আইপিএলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলার কাইল জেমিসন রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে জয়পুরের সাওয়াই মানসিংহ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচ নং ৪৩-এ আইপিএলের আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে এক ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। জেমিসন আইপিএলের আচরণবিধির ২.৫ নম্বর ধারার লঙ্ঘন করেছেন, যা এমন ভাষা, আচরণ বা ইঙ্গিত ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা অন্য খেলোয়াড়কে অপমান করে বা তাকে আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়ায় উসকে দিতে পারে।’
জেমিসন দোষ স্বীকার করায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বৈভব সূর্যবংশীকে আউট করার পর জেমিসন আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তার খুব কাছে চলে যান, যা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারত। জেমিসন নিজের দোষ স্বীকার করেছেন এবং ম্যাচ রেফারি রাজীব শেঠের দেওয়া শাস্তি মেনে নিয়েছেন।’