যেখানে শুরুর কথা বলার আগেই শেষ—উগান্ডা-মোজাম্বিক ম্যাচ দেখলে অনেকেরই এই গান মনে আসতে পারে। মোজাম্বিক দিয়েছে মাত্র ২০ রানের লক্ষ্য। উগান্ডা শেষ করেছে ৫ বলেই। তাতেই আফ্রিকার এই দল এমন এক কীর্তি গড়েছে, যাতে পেছনে পড়ে গেছে বাংলাদেশ-ভারতও।
মোজাম্বিকের বোলার ভিয়েরা টেম্বোকে ছক্কা মেরে উগান্ডাকে ১০ উইকেটের বিশাল জয় এনে দেন দলটির ওপেনার রবিনসন ওবুয়াকে। এখন পর্যন্ত মোট তাতে টি-টোয়েন্টিতে ১৩১ ম্যাচে ১০১ জয় পেয়ে গেছে উগান্ডা। দলটির জয়-পরাজয়ের হার ৩.৭৪। টি-টোয়েন্টিতে উগান্ডার আগে ১০০ বা তার বেশি জয় পেয়েছে আট দল। তবে এই ক্যাটাগরিতে তাদেরই জয়-পরাজয়ের হার সবচেয়ে বেশি।
টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২০০ জয় পেয়েছে ভারত। ক্রাইস্টচার্চে গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ে এই মাইলফলকের জয় পেয়েছে ভারত। এশিয়ার দলটির এটা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩০০তম ম্যাচ। ভারতের জয়-পরাজয়ের হার ২.৪০৯। টি-টোয়েন্টিতে ১০০ বা তার বেশি ম্যাচ জিতেছে, এমন ক্ষেত্রে জয়-পরাজয়ের হারে উগান্ডার পরই ভারতের অবস্থান।
বাংলাদেশ এখানে অনেক পেছনে। টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত তারা জিতেছে ৮৯ ম্যাচ। জয়-পরাজয়ের হার ১-এর চেয়েও কম। ২২২ টি-টোয়েন্টি খেলে ৮৯ জয়ের বিপরীতে হেরেছে ১২৮ ম্যাচ। জয়-পরাজয়ের অনুপাত ০.৬৯৫। ভারত-উগান্ডার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টিতে ১০০ বার তার বেশি জয় পেয়েছে রয়েছে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কার। যাদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা-উগান্ডা ছাড়া বাকি ছয় দলেরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রয়েছে।
টি-টোয়েন্টিতে জয়-পরাজয়ের হারের ক্ষেত্রে সবার ওপরে স্পেন। ৫৪ ম্যাচ খেলে জিতেছে ৪৪ ম্যাচ। হেরেছে ৯ ম্যাচ ও এক ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। জয়-পরাজয়ের হার ৪.৮৮৮। দুইয়ে থাকা পর্তুগালের জয়-পরাজয়ের হার ৪। ৫২ টি-টোয়েন্টি খেলে পর্তুগিজরা জিতেছে ৪০ ম্যাচ। হেরেছে ১০ ম্যাচ। একটি করে ম্যাচ ড্র ও পরিত্যক্ত হয়েছে।