আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য করা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতসহ স্বাধীনতা বিরোধী অশুভ রাজনৈতিক দলগুলো যদি ফের রাজপথ দখলের অপচেষ্টা করে। তারা দেশে নতুন ভাবে নৈরাজ্য তৈরির অপচেষ্টা করে। রাজপথ দখলের নামে মানুষ পোড়ানোর অপচেষ্টা করে। তা হলে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে। এ জন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। রাজপথ দখলে রাখতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন আবদুর রহমান।
আবদুর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল বাংলাদেশ পুনরুদ্ধারের দিন। আজ তিনি যে স্বপ্ন নিয়ে অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোনো ষড়যন্ত্র যেন বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা কর্মীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। কোনো ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার এই উন্নয়ন অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।’
আবদুর রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত ছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে সে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের আদলে তৈরির ষড়যন্ত্র পাকাপোক্ত করেছিল। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। জিয়া জানত না তাকেই নিষ্ঠুর হত্যার কাণ্ডের শিকার হতে হবে। এমন ভাগ্যবরণ করতে হবে। তাঁর লাশও সেদিন পাওয়া যায়নি।’
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আফজালুর রহমান বাবুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।